গত বছরের চেয়ে আরো ৭ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে এবারও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে এবার বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছে সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
তবে ২০১৮ সালে বিদ্যুৎ খাতের মতো গ্যাসেও ভর্তুকি দিয়ে দাম সহনীয় রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আর জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলাসহ পরিবেশ খাতে বরাদ্দ গত অর্থবছরের চেয়ে একটু বেশি।
গ্যাস সংকটের কারণে তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের মধ্যেই এসেছে আগামী অর্থবছরের বাজেট। গরম-গরম অভিজ্ঞতায় বাজেট বরাদ্দের আকার বেড়েছে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে। এ খাতে এবার মোট বরাদ্দ ২১ হাজার ১শ’ ১৮ কোটি টাকা।
এরমধ্যে গতবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে এবার বিদ্যুৎখাতের উন্নয়ন বরাদ্দ ১৮ হাজার ৮শ’ ৪৫ কোটি টাকা। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ খাতে গত বছরের চেয়ে দ্বিগুণ করে এবার ২ হাজার ১শ’ ১১ কোটি টাকা উন্নয়ন বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, ১১ হাজার ২১৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৩টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন আছে। আরো ১১ হাজার ১২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৪২ টি গ্যাস-কয়লাভিত্তিক নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
বঙ্গোপসাগরের তেল গ্যাস অনুসন্ধান দেরি হওয়ায় গ্যাস সংকট মোকাবেলায় ২০২১ সালের মধ্যে স্থলভাগে ১০৮ টি কূপ খনন ও ২০১৮ সালের মধ্যে এলএনজি আমদানি শুরু হলে গ্যাসের দাম বাড়ার ইঙ্গিত দেন অর্থমন্ত্রী ।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা, জীববৈচিত্র রক্ষা, বনের পরিমাণ ২০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া, বায়ু, পানি ও শব্দ দুষণে ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে পরিবেশ সংক্রান্ত বাজেটে। বন ও পরিবেশ খাতে গতবছরের চেয়ে ২৮ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৫শ’ ৮৪ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে।
পরিবেশবান্ধব তৈরী পোষাক শিল্পে গ্রীন বিল্ডিং সাটিফিকেট থাকলে ১৪ শতাংশ কর হ্রাসের প্রস্তাব করা হয়েছে এবার।
২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সৌর বিদ্যুতের বহুমুখী ব্যবহার এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ ৬টি মন্ত্রণালয়ের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলার কর্মসূচিতে অর্থের বাস্তবায়ন মনিটরিংয়ের নির্দেশনা রয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








