আগামী এক বছরের মোট খরচ দু’ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা ধরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত জাতীয় সংসদে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন।
‘সমৃদ্ধির সোপানে বাংলোদেশ: উচ্চ প্রবৃদ্ধির পথরচনা’-কে মূল দর্শন করে প্রস্তাবিত বাজেট গত অর্থবছরের চেয়ে ৪৫ হাজার কোটি টাকা বেশি।
২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক, এক নজরে ..
– মোট ২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৬ কোটি টাকার বাজেট।
– বাজেটে ঘাটতি থাকবে ৮৬ হাজার ৬শ’ ৫৭ কোটি টাকা।
– বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে।
– রাজস্ব প্রাপ্তি ও বৈদেশিক অনুদান ২ লাখ ২৪ হাজার ২শ’ ৪৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব প্রাপ্তি ২ লাখ ৮ হাজার ৪শ’ ৪৩ কোটি টাকা।
– এনবিআর আদায় করবে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩শ’ ৭০ কোটি টাকা।
– প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ৬.২ শতাংশ।
– অনুন্নয়ন ব্যয় ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫শ’ ৫৯ কোটি টাকা।
– বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর জন্য বরাদ্দ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। ৮৬ হাজার ৬শ’ ৫৭ কোটি টাকার ঘাটতি মেটানো হবে অভ্যন্তরীণ ঋণের ৫৬ হাজার ৫শ’ ২৩ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণের ২৪ হাজার ৩শ’ ৩৪ কোটি টাকা থেকে।
বিভিন্ন খাতওয়ারি বরাদ্দ
– বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ ১৮ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা।
– শিক্ষাখাতে ৩১ হাজার ৬’শ ১৮ কোটি
– স্বাস্থ্য খাতে ১২ হাজার ৭’শ ২৬ কোটি
দাম বাড়ছে
বাড়বে স্বর্ণের দাম, বিড়ি-সিগারেট, সিরামিকের বাথটাব, জিকুজি, শাওয়ার ও শাওয়ার ট্রের। মোবাইল ফোনের সেবায় ৫ শতাংশ শুল্ক আরেপের প্রস্তাব, বাড়বে মোবাইলে কথা বলা ও ডেটা স্থানান্তরের ব্যয়। বাড়বে চা, রেশম পন্যের।
দাম কমবে
পশু খাদ্য, ঔষধ, পাট ও পাটজাত পণ্যের। কমবে ক্যামেরার দামও। কর অবকাশ পাচ্ছে গাড়ি তৈরী শিল্প।







