চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • নির্বাচন ২০২৬
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

একজন পুরুষের তুলনায় নারী দশ গুণ বেশি কষ্ট করে: নার্গিস

জুয়েইরিযাহ মউজুয়েইরিযাহ মউ
১১:৩৪ পূর্বাহ্ন ২৪, আগস্ট ২০১৮
বিনোদন
A A

বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ফিল্ম ফেস্টিভালগুলোতে এখন ইরানি সিনেমার জয়জয়কার। কান, বার্লিন কিংবা লোকার্নোসহ বিশ্বের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ ফিল্ম ফেস্টিভালগুলোতেই এখন শক্ত অবস্থানে আব্বাস কিয়ারোস্তামির উত্তরসুরিরা। সমানভাবে ‘বিদেশি ভাষার সিনেমা’ বিভাগে অস্কারেও দাপট দেখান তারা। গেল ৯০তম অস্কার অ্যাওয়ার্ড-এর সম্ভাবনাময় তালিকায় ছিলো ইরানের ছবি ‘ব্রেথ’!  যে ছবিটির নির্মাতা একজন নারী। ইরানের ইতিহাসে প্রথম কোনো ঘটনা যেখানে অস্কারে পাঠানো হয় কোনো নারী নির্মাতার ছবি! নির্মাতার নাম নার্গিস আবেয়ার। চলতি আগস্টের মাঝামাঝিতে তিনি অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। তার পরবর্তী সিনেমার শুটিংয়ের জন্য।

এমন সুযোগ হেলায় বসে হারানো উচিত নয়! এমন ধারনা থেকেই তার সাথে যোগাযোগ। মধ্যস্থতাকারি ছিলেন মুমিত আল রশিদ। তার সৌজন্যই নার্গিসের সাথে সাক্ষাৎ। গ্রীন রোডের একটি হোটেলে। দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন ‘ব্রেথ’ ছবির নির্মাতা। আড্ডায় উঠে আসে ইরানি চলচ্চিত্রের বর্তমান হাল হকিকত, সেখানকার থিয়েটারের খবর, নারী হিসেবে ইরানের মতো ধর্মীয় শাসনের দেশে থেকেও কীভাবে ভালো, শিল্পমান উত্তীর্ণ সিনেমা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কথা প্রসঙ্গে বাদ যায়নি তার দৃষ্টিতে বাংলাদেশের চিত্রটাও। চলচ্চিত্র নিয়ে তার ভাবনা, আশাবাদ সমস্ত কিছু নিয়েই তার কথা শুনেছেন মিতুল আহমেদ ও জুয়েইরিযাহ মউ:

সিনেমায় আসার আগে আপনি মূলত একজন সাহিত্যিক…
হ্যাঁ। সিনেমায় আসার আগে আমি কেবল লেখক ছিলাম। ২১টির মতোন উপন্যাস লেখার পর আমি চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করি। এখন পর্যন্ত আমার বই এর সংখ্যা ৩১টি।

নার্গিস আবেয়ারের ‘ব্রেথ’ ছবির একটি দৃশ্য

এমন কোনো ঘটনা কি আছে যা আপনাকে সিনেমা নির্মাণে উৎসাহিত করেছে?
আসলে আমি সিনেমা দেখতে পছন্দ করতাম। ইউরোপ-ফ্রান্সের ছবিগুলো দেখতাম। ধীরে ধীরে সিনেমার প্রতি আমার আগ্রহ জন্মাতে শুরু করে। ইরানের যে সিনেমার দ্বারা প্রথম অনুপ্রাণিত হই সেটি হল বাহমান গোবাদীর ‘টারটস ক্যান ফ্লাই’।

শুরু যখন করেছিলেন তখন আপনার নির্মাণ বিষয়ক কোন অভিজ্ঞতা ছিল না, তো ইরানে একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে এবং একজন নির্মাতা যিনি নারী সে হিসেবেও কী কী প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছেন?
পৃথিবীর সব জায়গাতেই নারীদের জন্য কাজ করাটা কঠিন। একজন নারী একজন পুরুষের তুলনায় দশ গুণ বেশি কষ্ট করে এবং তারপরে সে তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছুতে পারে। এবং এরপরে সমাজের কাছে সেই নারী পুরুষের সমান গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পারে। এতে আসলে দেশভিত্তিক তেমন কোন পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় না আসলে, সেটা হোক ইরান, বাংলাদেশ কিংবা ইউরোপও যদি হয়। একই অবস্থা প্রতিটি সমাজেই। ঐ সময়টায় প্রচুর কষ্ট করতে হয়েছে, সে সময়টা আমি অতিক্রম করে এসেছি যেভাবেই হোক। এখন আমি ইরানের দর্শকের কাছে নারী বা পুরুষ হিসেবে নয়, একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে পেরেছি। এখন সবাই স্বনামধন্য একজন পরিচালক হিসেবেই আমাকে গ্রহণ করছে। যাই হোক না কেন, একজন নারী হিসেবে বলতে চাই পরিচালকের এই কাজ নিঃসন্দেহে কঠিন কিন্তু একজন নারী পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ সন্তান গর্ভধারণ যদি করতে পারেন তবে তিনি এই কাজ কেন পারবেন না?

নারী হিসেবে প্রথম কোনো ইরানিয়ানের অস্কার যাত্রা এবং পরের আপনি, ইরানে এ দুটো অবস্থানকে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
আসলে অস্কারে আমার চলচ্চিত্র ‘নাফাস’(যার ইংরেজি নাম ‘ব্রেথ’) যাওয়ার যাওয়ার আগেই আমাকে ইরানের মানুষ চিনতে শুরু করেছে মূলত ‘ট্র্যাক ১৪৩’ এর মাধ্যমে। ‘ব্রেথ’ অনেক পরেই নির্মাণ করেছি আমি, ‘ট্র্যাক ১৪৩’ দিয়েই আমি ইরানের অধিকাংশ মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করি।

‘ট্র্যাক ১৪৩’ এর পেছনের গল্পটা কেমন ছিল? এ চলচ্চিত্রের বিষয়ে যদি বলতেন…?
এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যেখানে একজন মা তার যুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া সন্তানের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করে যায়। এই সিনেমাটি ইরানে প্রদর্শিত হওয়ার পর থেকেই ইরানের অলিগলিতে মানুষ আমাকে চিনতে শুরু করে এবং মানুষ আমাকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে শুরু করে। এরপরে আমি ‘ব্রেথ’ নির্মাণ করি। ‘নাফাস’ বা ‘ব্রেথ’ ইরানের প্রথম কোনো নারী নির্মাতার ছবি যেটাকে অস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। এটি আমার জন্য অনেক আনন্দের ছিল। ‘নাফাস’ নানা জায়গায় নানা জনের কাছে প্রশংসিত হয়।

নানা স্ট্রাগলের মধ্য দিয়ে যাওয়া ‘ব্রেথ’ এর নারী চরিত্রটি এক পর্যায়ে বলে উঠে ‘আমি যদি পুরুষ হতাম!’, নির্মাতা হিসেবে আপনার যে সংগ্রাম সে সংগ্রামের পথে আপনি নিজে কখনো এ চরিত্রের মতো এমন করে ভাবতে কি বাধ্য হয়েছেন যে আপনি যদি পুরুষ হতেন?
না। আমি সব সময়ই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি যে আমি একজন নারী। নারীদের এই পৃথিবী সম্পর্কে এমন আলাদা এক দৃষ্টিভঙ্গী রয়েছে যা একজন পুরুষের পক্ষে উপলব্ধি করা সম্ভব নয় বলেই আমি মনে করি। আমরা প্রাচ্যের দেশগুলোতে সামগ্রিক অবস্থার জন্যই নারীরা বেশিরভাগ সবসময়ই ভাবেন যে তারা আসলে মানুষ হিসেবে বিবেচিত নয়। এ অনুভূতি থেকে বের হয়ে আসতে আমি সবসময় চেষ্টা করেছি। এবং সমাজকেও এই অনুভূতি থেকে বের করে আনার প্রয়াস ছিল আমার। আমাদের সমাজে এখনো একটা ছেলে যখন জন্ম নেয় সেটি অত্যন্ত আনন্দের, যা মেয়েদের বেলায় ঘটে না। একারণেই ‘ব্রেথ’ সিনেমায় দাদী চরিত্রটি যখন মেয়েটির চুল আঁচড়াতে থাকে তখন বলে যে ‘তুমি যদি পুরুষ হতে …’। খেলতে গিয়ে মেয়েটি যখন আঘাত পায় তখনও তার দাদী সেই একই আফসোস করে, কারণ তার শরীরের আঘাতের চিহ্নের কারণে পুরুষ তাকে বিয়ের জন্য পছন্দ নাও করতে পারে। একারণে পিতা চরিত্রও বলে সেই একই কথা।

Reneta

আপনার বেশিরভাগ গল্প-উপন্যাস এমনকি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র বা কাহিনিচিত্রও ইরাক-ইরান যুদ্ধের উপরই। আপনি এই যুদ্ধকে ঘিরে কেন লিখছেন বা চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন বা এই যুদ্ধ কেন আপনার সৃষ্টিশীলতায় এতোটা প্রভাব বিস্তার করে আছে?
যখন আমি ছোট ছিলাম তখন এই ইরাক-ইরান যুদ্ধ সংঘঠিত হয়। তখন বিভিন্ন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হই আমি যা আমার মনে এখনো স্পষ্ট ছাপ রেখে গেছে। যুদ্ধের ভেতর দেখা যায় খুব সহজ-সরল একটি বিষয় কঠিন একটি বিষয়ে রুপান্তরিত হয়। যুদ্ধের সময় মানুষ নিজের জীবনকে খুব বেশি উপলব্ধি করে। আর কঠিনভাবে উপলব্ধি করে। ঐ সময়টায় মানুষ মৃত্যুকে ক্ষণে ক্ষণে উপলব্ধি করে। মানুষ তখন উপলব্ধি করে – জীবন আসলে কী! জীবনের বাস্তবতাকে অনুভব করে। সেজন্যই যুদ্ধে মানুষ কী ধরণের অবস্থার সম্মুখীন হয় সেটাই আমি দেখানোর চেষ্টা করি। একারণেই আমার সিনেমায় আমি যুদ্ধের ভয়াবহতার পাশাপাশি বৈশ্বিক শান্তির কথা বলতে পছন্দ করি।

ইরানি চলচ্চিত্রে আবাস কিয়ারোস্তামি বলি বা মাজিদ মাজিদি বলি অধিকাংশ ইরানি চলচ্চিত্রে শিশুরা কেন্দ্রীয় চরিত্র। এটা কেন হয়, এটা কী ইসলামি বিপ্লবের এক ধরণের প্রভাবের ফল যে অ্যাডাল্ট বা বড়দের সংকট দেখানো যাবে না, নাকি অন্য কোন কারণ আছে?
শিশুদের পৃথিবী হল পবিত্র এবং সহজ-সরল এক পৃথিবী! শিশুরা পৃথিবীর সত্যটা অবলোকন করে, কিন্তু তাদের মধ্যে কোন জটিলতা কাজ করে না। তারা চারপাশ দেখতে থাকে। এই যে শিশুদের নিষ্পাপ মনের ভাবনা এগুলোই ইরানি চলচ্চিত্র পরিচালকদের তাদের কেন্দ্রীয় চরিত্র দেওয়ার জন্য বেশি উদ্বুদ্ধ করে।

কিন্তু আরেকটা বিষয় কি এটা নয় যে এক সময় নারীদের তেমনভাবে ইরানি চলচ্চিত্রে আনা যাচ্ছিলো না অন্য অনেক প্রতিবন্ধকতার কারণে, একারণেই শিশুদের নির্মাতারা নির্বাচিত করেন বলে কি আপনি মনে করেন?
সেরকম কিছু নয় আসলে। আমার মনে হয় গল্পের প্রয়োজনেই নির্মাতা শিশুদের নিয়ে কাজ করেন।

আপনি তো চলচ্চিত্র পরিচালকও আবার লেখকও। তো এ দু’টো মাধ্যমে ইমেজ সাজানোর ক্ষেত্রে বা বর্ণনা করার ক্ষেত্রে কী কী সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য আছে বলে মনে করেন?
দু’টো ক্ষেত্রেই আমাকে কল্পনা করে নিতে হচ্ছে প্রথমে তো এক্ষেত্রে তো সাদৃশ্য থাকেই। সিনেমার দৃশ্যের মতোই তো আমি ইমেজ চিন্তা করে নিচ্ছি যখন আমি উপন্যাস লিখছি। কিন্তু আমার মনে হয় সাহিত্য চলচ্চিত্রের চেয়েও গভীর কোন বিষয়, চলচ্চিত্রের চেয়েও উপলব্ধি বেশি করা যায় সাহিত্যতে। সাহিত্য আরও বেশি কল্পনা করার একটা জায়গা তৈরি করে দেয়। আপনি যখন একটি গল্প বা উপন্যাস পড়বেন তখন আপনি বাধ্য হচ্ছেন ভাবতে সেই সময়টা, সেই সময়টার আবহাওয়া, সেখানকার ভৌগোলিক অবস্থান, চরিত্রের সামাজিক বা পারিবারিক অবস্থা সবকিছু আপনাকে ভাবতে হচ্ছে। কিন্তু চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে চলচ্চিত্র এসমস্তকিছু আপনাদেরকে দেখাচ্ছে, কল্পনার একটা স্তরকে সিনেমা বা চলচ্চিত্র কমিয়ে দিচ্ছে।

আপনি তো প্রামাণ্য চলচ্চিত্র এবং কাহিনিচিত্র দুটোই নির্মাণ করছেন। তো গল্প বলার ক্ষেত্রে কোনটায় বেশি স্বাচ্ছ্বন্দ্য বোধ করেন?
প্রামাণ্য চলচ্চিত্রতে।

কেন?
প্রামাণ্যচলচ্চিত্রে এক ধরনের বাড়তি ইলহাম বা উৎসাহ কাজ করে। প্রামাণ্যচলচ্চিত্র বানানোর সময় প্রত্যেকটা মুহূর্তে চিন্তা করতে হয় যে কী বানাবো আমি। আর একারণে সেটা বাস্তবায়নের জন্য খুব দ্রুত গতিতে এগোতে হয়। সেখান থেকেই প্রকৃত একটি গল্প তুলে আনতে হয় যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। কাহিনিচিত্রে প্রায় সবগুলোই বা অধিকাংশই ঘটে যাওয়া কাহিনি আমাদের জীবনের। এতে খুব বেশি উত্তেজনা বা বিহ্ববলতা কাজ করে না যা প্রামাণ্যচলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে করে। একারণে আমার কাহিনিচিত্রগুলোও প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের অনেকটা কাছাকাছি। একারণেই আমি আমার চলচ্চিত্রগুলোতে একেবারেই প্রকৃত ইমেজগুলো আনতে চেষ্টা করি, যেমন – একজন বৃদ্ধ মানুষ একতারা বাজাচ্ছে বা রাস্তার ধারে কোন একজন কামার বসে আছে, সেগুলো খুঁজে বের করে চলচ্চিত্রে তুলে ধরতে চাই আমি।

ইরানের চলচ্চিত্রগুলোর খবর আমরা বেশির ভাগ সময় বিভিন্ন ফিল্ম ফেস্টিভালে যাওয়ার পর শুনতে পাই। প্রতিযোগিতায় লড়ছে বা প্রদর্শনের খবর শুনি। কিন্তু সেখানকার সিনেমা হল গুলোতে সেই ছবি কেমন চলে। দর্শক সাড়া কেমন এ বিষয়ে আমরা খুব কম জানি…
সিনেমা যেরকম শিল্প, তেমনি এর সাথে রয়েছে ব্যবসায়িক হিসেব নিকেষও। দিনশেষে যদি সিনেমা নির্মাণ করে, সিনেমা প্রদর্শন করে আপনাকে ক্ষতির সম্মুখিন হতে হয় তাহলে এটা মানুষ জেনেশুনে কেন করবে? আর্থিক ক্ষতির কারণেই ইরানে এক সময় সিনেমা হলগুলো প্রায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছিলো। কমে আসছিলো থিয়েটারের সংখ্যা। কিন্তু বেশকিছু নির্মাতা ইরানের চলচ্চিত্রকে নতুন পথ দেখালেন। বিনিয়োগকারীরাও এগিয়ে আসলো। ভালো গল্প নিয়ে ভালো মানের সিনেমা তৈরি হতে শুরু করলো। ফলে গত দশ বছরে ইরানের চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সেখানকার থিয়েটারগুলোর বেশ উন্নয়ন হয়েছে।

আপনার নতুন সিনেমার দৃশ্য ধারণের জন্য বাংলাদেশকে কী ভেবে নির্বাচন করলেন?
ছবির গল্পই আমাকে বাংলাদেশে টেনে নিয়ে এসেছে। কারণ আমি যে গল্পটি নিয়ে সিনেমা শুরু করছি তাতে অন্তত দশ ভাগের বেশি শুট করতে হবে বাংলাদেশে। এ দেশে আবহমান কাল ধরে যে সংস্কৃতি বহন করে চলেছে, নিজস্ব কালচার যেভাবে বহন করে চলেছে তার জন্যেই আমি এ দেশে এসেছি। আমিতো মনে করি আধুনিকতার এই চূড়ান্ত সময়েও পৃথিবীতে যে কয়েকটি দেশ তাদের স্বকীয় কালচারগুলোকে বাঁচিয়ে রেখেছে তারমধ্যে বাংলাদেশ একটি।

ঢাকার রাস্তাঘাটে শুটিং করলেন। অভিজ্ঞতা কেমন?
আমি যখন ঢাকার রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম কিংবা দীর্ঘক্ষণ ট্রাফিক জ্যামে আটকে ছিলাম তখন কিন্তু একবারের জন্যও চোখ বন্ধ করিনি। এতো বিচিত্র এই শহর যে, আমার মনে হয়েছে হয়তো এখনি আমার সিনেমার একটা প্লট পেয়ে যাবো। ঢাকায় আসার পর আমি সব সময় সচেতন হয়েই আশপাশ দেখেছি। এরআগে আমি বিশ্বের অনেক অনেক দেশে ভ্রমণ করেছি, দেখেছি ভিন্ন ভিন্ন দেশের ভিন্ন কালচার, জীবন ধারা ভিন্ন। তাদের মধ্যে রূপান্তর দেখেছি, কিন্তু বাংলাদেশ এসব থেকে ভিন্ন।

ভিনদেশিদের খাবার নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়, খাদ্যাভাস নিয়ে আপনাদের এরকম কোনো ঝামেলা পোহাতে হয়েছে?
এরআগে আমি ভারতে গিয়েছিলাম কয়েকবার। ভারতের খাদ্যাভাসের সাথে খুব একটা ভিন্নতা নেই বাংলাদেশের খাবারের। আর তাই এখানে আসার পর খাবার নিয়ে কোনো ঝামেলায় পড়তে হয়নি। চোখের সামনে যা পেয়েছি সবই মোটামুটি খেয়েছি। রাস্তায় দাঁড়িয়ে চা খাওয়া থেকে শুরু করে বাংলাদেশের মানুষ হাত দিয়ে যেভাবে খায় সেভাবেই অভ্যস্ত হয়েছি। আমার কাছে মনে হয়েছে হাত দিয়ে খাওয়ার পর যে তৃপ্তি সেটা কাটা চামচ দিয়ে খাওয়ার মধ্যে নেই।

ঢাকায় সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয় কী মনে হয়েছে?
সত্যি কথা বলতে কি, ঢাকা শহরের সবকিছু দেখেই আমি অবাক হয়েছি। সবকিছু আমার কাছে ভাল্ লেগেছে।

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: অস্কারআব্বাস কিয়ারোস্তামিইরাননার্গিস আবেয়ারবাংলাদেশলিড বিনোদন
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ, বিকালে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

১১ দলীয় জোটের প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

‘জামায়াত জোটের বিজয়ীরা শপথ নেবেন, রাজপথেও থাকবেন’

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

টানা তিন জয়ে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি

কারাগারে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতির মৃত্যু

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT