মাঝ আকাশে হঠাৎ করে ইঞ্জিন বিস্ফোরণে উড়োজাহাজের জানালা ভেঙে বাইরে চলে যাওয়া এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার এই দুর্ঘটনা ঘটে।
বোয়িং ৭৩৭-৭০০ মডেলের উড়োজাহাজটি ১৪৩ যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু নিয়ে নিউ ইয়র্কের লা গার্ডিয়া এয়ারপোর্ট থেকে ডালাসে যাচ্ছিল। তখন এই দুর্ঘটনা ঘটে।
সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের ১৩৮০ ফ্লাইটটি জানালা, পাখা ও উজোজাহাজের কাঠামো ধ্বংস হলে জরুরি অবতরণ করে ফিলাডেলফিয়ায়। এতে সাতজন যাত্রী আহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হঠাৎই উড়োজাহাজের বাম দিকের একটি ইঞ্জিন উড়ে যায়, সেটি একটি জানালা পুরোপুরি ভেঙে ফেলে এবং কেবিনে চাপ তৈরি করে একজন নারীকে বাইরে টেনে নিয়ে যায়।
অন্য যাত্রীরা তাকে টেনে আবার ভেতরের দিকে নিয়ে আসে। এরপর উড়োজাহাজটি বাকি যাত্রীদের নিয়ে নিরাপদেই জরুরি অবতরণ করে। গুরুতর ওই যাত্রীকে দ্রুত উড়োজাহাজ থেকে নামায় উদ্ধারকারীরা।
মৃত নারীর নাম জেনিফার রিঅর্ডান। তিনি একটি ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ওই নারী ব্যক্তিগত জীবনে দুই সন্তানের মা।
এয়ারট্রাফিক কন্ট্রোলের একটি রেকর্ডিংয়ে শোনা যায়, একজন পাইলট বলছে, ওখানে একটি ছিদ্র আছে এবং একজন সেখান দিয়ে বেরিয়ে গেছে।
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের রেকর্ডিং থেকে জানা যায়, পাইলট ট্যামি জো সালটস বলছেন, আমাদের উড়োজাহাজের একটি অংশ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই উড়োজাহাজটি একটু ধীর করতে হচ্ছে। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তাতে কি আগুন লেগেছে? তিনি যোগ করেন, সেখানে একটি ছিদ্র আছে আর কেউ একজন সেখান দিয়ে বেরিয়ে গেছে।
সেখানকার ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে ইঞ্জিনের একটি ফ্যান খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না, আর সেই স্থানের মেটালগুলো কাজ করছিল না।
এনটিএসবির চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি খুবই অস্বাভাবিক, খুব গুরত্ব দিয়েই বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
সর্বশেষ ইউএস কমার্শিয়াল ফ্লাইটে দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনা ঘটে ২০০৯ সালে।








