দেশে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা বা ই-কমার্সের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। এই খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ক্রেতাবান্ধব ক্যাম্পেইন।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীতকরণে দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে এই ই-কমার্সকে স্বম্ভাবনাময় একটি খাত হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকরা।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অনেক ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে ক্রেতাদের থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণ সময়ের তুলনায় ক্যাম্পেইন চলাকালীন কেনাকাটার পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায়, যা ব্যবসায়িক প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তবে, ক্যাম্পেইন থেকে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
করোনা মহামারিকালীন সময়ে ঘরবন্দী জীবন কাটানোর সময়ে অনলাইন কেনাকাটার প্রবণতা আরও বেড়েছে। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই -ক্যাব) এর তথ্যমতে, প্রতিদিন দেড়লাখেরও বেশি পণ্য ডেলিভারি হচ্ছে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে, যা সত্যিই অসাধারণ।
উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে উৎপাদনকারী, পণ্য বিক্রেতা ও পণ্য সরবরাহকারী– সকলেই নতুন এই সম্ভাবনাময় খাতকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করছেন। তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশে আনুমানিক আড়াই হাজার ই-কমার্স সাইট রয়েছে। পাশাপাশি, ঘরে বসে পণ্য অর্ডার করে স্বাচ্ছ্যন্দে পণ্য হাতে পাওয়ায় ক্রেতাদের মাঝেও ই-কমার্সের জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী।
ই-কমার্স কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশনের ফলে ক্রেতাদের অনলাইন কেনাকাটা আরও সহজ হয়ে উঠেছে। ক্রেতারা এখন পণ্য পছন্দ, অর্ডার এবং পেমেন্ট – সবই অনলাইনে করতে পারছেন। এতে সময় যেমন কম লাগছে তেমনি ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের জন্যই কেনাকাটা হয়ে উঠছে আরও সুবিধাজনক।
ঠিক তেমনিভাবে পণ্য অর্ডার ও পেমেন্ট করার সময় তাদের ভালোভাবে পণ্য ও বিক্রেতার বিস্তারিত জেনে নেয়া দরকার। বিশেষভাবে, যে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম থেকে পণ্য নেয়া হবে, সেটি বিশ্বস্ত কিনা, তাদের সাম্প্রতিক কার্যক্রম কেমন সেসব বিষয় বিবেচনায় রেখে পণ্য অর্ডার করা প্রয়োজন।
ফ্যাশন অ্যান্ড বিউটি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, ইলেকট্রনিকস, লাইফস্টাইল, গ্রোসারি– সব ধরনের পণ্য একই মার্কেটপ্লেস থেকে পাওয়া যায় বলে পণ্য পছন্দ করতে ক্রেতাদের সুবিধা হয়। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোও ক্রেতাদেরকে পণ্য ক্রয়ে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে।
সাধারণত, ক্যাম্পেইনগুলোর হরেক রকম পণ্যের সমাহার এবং আকর্ষণীয় অফারগুলো ক্রেতাদেরকে পণ্য কিনতে আগ্রহী করে তোলে। এতে ক্রেতারা যেমন পণ্য কিনে উপকৃত হন, তেমনি বিক্রেতারাও একইসাথে বেশি পরিমান পণ্য বিক্রি ও নিজের প্ল্যাটফর্মের প্রচার উভয় দিক থেকেই লাভবান হন।

এক্ষেত্রে নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ক্রেতারা টানা চতুর্থবারের মতো সফলভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দারাজের ১১.১১ ক্যাম্পেইনকে বেছে নিতে পারেন। ক্যাম্পেইনের ১১ টাকা ডিল, প্রি-সেল ডিসকাউন্ট, ১ টাকা গেম, ডাবল টাকা ভাউচার, শেক শেক ভাউচার, হ্যাপি আওয়ার ভাউচার, রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিগ সেল টাইম ও দারাজ ব্র্যান্ডের বিভিন্ন রকমের পণ্য, যেমন- দারাজের মগ, টি-শার্ট, চাবির রিংসহ অন্যান্য আকর্ষণীয় অফার ক্রেতাদেরকে চমৎকার অনলাইন কেনাকাটার অভিজ্ঞতা দিবে।
এছাড়াও, দেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মেও নানারকম ক্যাম্পেইন হয়ে থাকে, যেখান থেকে ক্রেতারা নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে অনলাইন কেনাকাটা করতে পারবেন। এভাবেই, ক্রেতাবান্ধব ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে অধিক ক্রেতাদের ই-কমার্সে আগ্রহী করার মাধ্যমে সময়ের সাথে সাথে আরও বিস্তৃত ও বিকশিত হচ্ছে সম্ভাবনাময় এই খাতটি।








