ইরাকের মসুলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলা হওয়া একটি স্থান থেকে কমপক্ষে ১১২টি মৃতদেহ বের করে আনার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ইরাকের সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আহমেদ দুবারদানি।
জঙ্গি সংগঠন আইএসের বিরুদ্ধে গত ১৭ ও ২৩ মার্চ করা ভয়াবহ বিমান হামলায় এর আগে দু্ই শতাধিক বেসামরিক জনগণ মারা যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল জাতিসংঘ। আর এখন বাস্তবেই এতগুলো মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় আইএসবিরোধী হামলায় ব্যাপক বেসামরিক প্রাণহানীর ব্যাপারটি নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করল বলে জানিয়েছে সিএনএন।
১৭ মার্চ আইএসের একটি বিস্ফোরক ভর্তি ট্রাকের ওপর বিমান হামলার ফলে একই সঙ্গে বহু সাধারণ মানুষও নিহত হয় বলে জানিয়েছেন এক সিনিয়র ইরাকি সেনা কর্মকর্তা। সেখান থেকেই মরদেহগুলো বের করে আনা হয়েছে। যৌথবাহিনী নিশ্চিত করেছে, একটি এলাকায় হামলার ফলে বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক মারা যাওয়ার খবর তারা পেয়েছে। তবে ওই সিনিয়র ইরাকি কর্মকর্তার বক্তব্য নিশ্চিত করেননি মার্কিন কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। বলেছে, আইএসের বিরুদ্ধে মসুল যুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বেসামরিক নাগরিক মৃত্যু ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আরও জানায়, মসুল শহরটিতে যৌথবাহিনীর বিমান হামলায় ‘ভীতিকর প্রবণতা’ লক্ষ্য করেছে তারা। পুরো পরিবার থাকা অবস্থায়ই একেকটি ভবনে বোমা ছোঁড়া হচ্ছে বলে তাদের কাছে প্রমাণ আছে। প্রত্যক্ষদর্শীরাও চলতি মাসে এসব বিমান হামলায় কয়েকশ’ মানুষ নিহতের কথা জানিয়েছে।
তবে অ্যামনেস্টির প্রকাশিত এ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট।








