ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে সাগরে ভাসমান আরো ৪২৬ অবৈধ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মাঝে মালাস্কা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।
উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়া এক স্থানীয় জেলে টিউকু নিয়াক বলেন, উদ্ধারদের অবস্থা খুবই খারাপ। তাদের মধ্যে অনেকেই গুরুতর অসুস্থ। এদের মধ্যে ৩০ জন শিশু ও ২৬ জন নারীও আছেন।
এই অবৈধ শরণার্থীদের তখন উদ্ধার করা হলো যখন, মিয়ানমার প্রথমবারের মত আঞ্চলিক অবৈধ অভিবাসী সমাধানে সাহায্য করতে রাজি হয়েছে। রোহিঙ্গাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচারণ করায় এই অভিবাসী সমস্যার জন্য বিভিন্ন দেশ মিয়ানমারকেই দায়ি করে আসছে।
মিয়ানমারের মনোভাব পরিবর্তন:
বুধবারে সকালে এশিয়ার আঞ্চলিক অবৈধ অভিবাসী ও শরণার্থী সমস্যার সমাধানের জন্য কুয়ালালামপুরে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা জরুরি বৈঠকে বসেছেন। এই বৈঠকে মিয়ানমার উপস্থিত হননি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সাগরে মানবেতর দিন পার করা এই অভিবাসীদের নৌকা ফিরিয়ে দেয়ার জন্য কঠোর সমালোচনার সম্মুখীন হচ্ছে মিয়ানমার।
আর এই সমালোচনার জন্য অবৈধ অভিবাসীদের প্রতি সামান্য মনোভাব পরিবর্তন করেছে মিয়ানমার সরকার।
বুধবার মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, আর্ন্তজাতিক সংস্থাগুলোর উদ্বেগের কারণ তারা বুঝতে পেরেছেন। তাই সাগরে ভেসে থেকে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন, এমন যে কাউকে মানবিক সাহায্য পৌঁছে দিতে তারা প্রস্তুত।
গত ১০ দিনে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড থেকে মিয়ানমার থেকে প্রায় ৩ হাজারের অধিক অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে।







