প্রথম দু’ধাপের মতো তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের জয়ের পাল্লাই ভারী। এ দফার নির্বাচনে সহিংসতা কিছুটা কমলেও ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও কোথাও পুরোপুরি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ হয়েছে।
দলীয় প্রতীকে প্রথমবারের মতো ইউপি নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে নির্বাচন হয়েছে ৬১৬ টি ইউনিয়নে। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে ৩৬৩ টিতে, বিএনপি ৫৭ টিতে। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন শতাধিক ইউনিয়নে। এর মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২৭ জন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী। ৫ টি ইউপির ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে।
সিলেট হবিগঞ্জের তিনটি ইউপিতে বিএনপি, তিনটিতে স্বতন্ত্র ও অন্য ইউপিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগ, বিএনপির সঙ্গে অন্যরাও ছিলো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
সিরাজগঞ্জের অধিকাংশ ইউনিয়নেই জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ, রাজশাহীতেও সর্বোচ্চ জয় আওয়ামী লীগ প্রার্থীদেরই।
বগুড়ায় সিংহভাগ ইউনিয়নেরই বিজয়ী আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের
পাশাপাশি জয় পেয়েছে বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও।
রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাটেরও আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের অধিকাংশই বিজয়ী হয়েছেন। ময়মনসিংহ, মুন্সিগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের জয়ের পাল্লা ভারী হলেও মানিকগঞ্জে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়েছে বিএনপিসহ অন্যরাও।
কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, নড়াইল, মাগুড়ার অধিকাংশ আসনেই বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীরা।
কক্সবাজার, খাগড়াছড়িতে বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো বেশ কিছু আসনে জয় পেলেও কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রামের সিংহভাগ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই জয়ী হয়েছেন।







