গ্যাবার পর অ্যাডিলেড টেস্টেও অজি বোলারদের তোপের মুখে ব্যর্থ ইংলিশ লাইনআপ। জো রুটদের দাঁড়াতেই দেননি স্টিভেন স্মিথরা। শেষদিনে ক্রিস ওকস, জস বাটলাররা দাঁত কামড়ে চেষ্টা চালান, বিশাল হার এড়াতে পারেননি। ২৭৫ রানের জয়ে ঘরের মাঠের অ্যাশেজ ঘরে রাখার পথে আরও এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।
সোমবার অ্যাশেজের দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাটে-বলে ইংল্যান্ডকে আরেকবার নাস্তানাবুদ করা শেষের মধ্য দিয়ে সিরিজে ২-০তে এগিয়ে এখন অস্ট্রেলিয়া।
আগেরদিনই ৪ উইকেট হারিয়ে বসেছিল ইংল্যান্ড। নতুন দিনে ব্যাটে নেমে শুরুতেই অলি পোপের উইকেট হারায়। ১৯ রানের ব্যবধানে বেন স্টোকসকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন লায়ন।
পরে ক্রিস ওকস ও জস বাটলার কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। ৪৪ রানে রিচার্ডসনের বলে বোল্ড হয়ে ওকস ফিরলে ফের বিপদ বাড়ে। ২৬ রানে বাটলার হিট উইকেট আউট হলে আর রক্ষা মেলেনি।
অস্ট্রেলিয়া তখন অনেকটাই জয়ের বন্দরে। গ্রিনের বাউন্সারে স্লিপে ক্যাচ হয়ে অ্যান্ডারসন সাজঘরে হাঁটা দিলে জয়োৎসবে মেতে ওঠেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা।
৫ উইকেট নিয়ে ইংলিশ ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়ার কাজটি করেছেন রিচার্ডসন। ২টি করে উইকেট তুলেছেন স্টার্ক ও লায়ন। বাকি উইকেটটি নাসেরের।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ মার্নাস লাবুশেন। প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ফিফটি তুলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছেন তিনি।
রোববার চতুর্থ দিনের খেলা ৪ উইকেট হারিয়ে ৮২ রান তুলে শেষ করেছিল ইংল্যান্ড। জয় তুলতে পঞ্চম দিনে তাদের তুলতে হতো আরও ৩৮৬ রান। সেখানে অজিদের দরকার ছিল ৬ উইকেট।
প্রথমে ৯ উইকেটে ৪৭৩ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছিল স্বাগতিকরা। জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৩৬ পর্যন্ত যেতে পারে ইংলিশরা।
সফরকারীদের ফলোঅন না করিয়ে নিজেরাই ব্যাটে নেমে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৩০ তুলে করে ইনিংস ঘোষণা। তাতে ইংল্যান্ডের সামনে চতুর্থ ইনিংসে দাঁড়ায় ৪৬৬ রানের পাহাড় টপকে জয়ের লক্ষ্য।








