ছাত্রলীগ নেতা আরজু মিয়া হত্যার ঘটনায় তার ভাইয়ের করা নালিশী মামলায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এতে ন্যায় বিচার পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে বাদী পক্ষ।
গত ১৭ আগস্ট মোবাইল চুরির অভিযোগে কিশোর রাজাকে হাজারীবাগের বাসা থেকে আরজুর বাসায় ডেকে নিয়ে পেটানো হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় মৃত্যু হয় ১৬ বছর বয়সী রাজার। পরে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে আটক করে পুলিশ। রাজা হত্যা ঘটনায় দায়ের করা মামলার এক নম্বর আসামী ছিলো আরজু।
১৭ আগস্ট সোমবার রাতে কিশোর রাজা হত্যার অভিযোগে আটক হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগ সভাপতি আরজু র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়। মঙ্গলবার ভোরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ছাত্রলীগ নেতা আরজু হত্যার ঘটনায় সিএমএম আদালতে নালিশী মামলা করেন আরজুর ভাই মাসুদ রানা। র্যাব-২ এর সিও কর্নেল মাসুদ রানা, ডিএডি সাহিদুর রহমান, পরিদর্শক ওয়াহিদ এবং সোর্স রতনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি। মহানগর হাকিম শাহরিয়ার মোহাম্মদ আদনান আবেদন শুনানি করে ২৫ আগস্ট মঙ্গলবার আদেশের তারিখ নির্ধারণ করেন।







