‘সৌমিত্রকাকুর সঙ্গে দেখা হলেই আমি বলি তুমি এভারগ্রিন, আর তোমার মতো হ্যান্ডসাম আর কেউ নেই। আমার কথা শুনে উনি খিলখিল করে হেসে ওঠেন। ‘সৌমিত্রকাকু’ সম্পর্কে বলতে গিয়েই ভারতীয় গণমাধ্যমে এক সাক্ষাতকারে অভিনেত্রী ঋতুপর্না সেনগুপ্ত নিজের অনুভূতির কথা জানান।
সম্প্রতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় অভিনীত‘বেলাশেষে’ পেরিয়ে গেলো সফল ২০০ দিন। আর এই সাফল্যের ধারায় এবার পালন করা হলো এ অভিনেতার জন্মদিনে।
শক্তিমান অভিনেতা সৌমিত্রের সঙ্গে বেশ কিছু কাজ করার সুবাদে ঋতুপর্না সেনগুপ্ত খুব কাজ থেকে দেখেছেন তাকে। ঋতুপর্না কখনও বা তার অভিনয় থেকে নিবিষ্ট ছাত্রীর মতো শিখেছেন অনেক কিছু। আর তাই অগ্রজের কথা বলতে গিয়ে এমনই উচ্ছ্বসিত তিনি।
জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী বলেন, তিনি শুধু ‘হ্যান্ডসাম’ নায়ক, তেমনই ভয়ংকর সুন্দর চরিত্রাভিনেতা।
সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে কাজ করা সৌমিত্রকাকুর সব চরিত্রগুলোই ভালো লাগে। তবে আলাদা করে বলতে হয় অপুর কথা। আর সৌমিত্রকাকু এমন একজন মানুষ, কত কত চরিত্রই না করেছেন! এই যদি বলি ‘কে তুমি নন্দিনীর কথা’, পরক্ষণেই মনে পড়ে ‘ফাইট কোনি ফাইট’৷ ‘শাখাপ্রশাখা’ বলি তো, মনে পড়ে ‘আতঙ্ক’ বা ‘ঝিন্দের বন্দি’র কথা ৷ কখনও বা ‘বেলাশেষে’র কথা মনে হয়।
ব্যক্তিজীবনেও সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে তিনি ‘ইনস্পিরেশন’ বলেই মনে করেন। আমার ক্যারিয়ারের শুরু বলতে গেলে ওনার সঙ্গেই। আমার সঙ্গে দারুণ একটা ছবি করেছিলেন, পিনাকী চৌধুরীর ‘আরোহন’৷ লাস্ট চার পাঁচটা ছবি আমরা একসঙ্গে করেছিলাম। তার মধ্যে ‘বেলাশেষে’ তো আছেই। উনি লিভিং লেজেন্ড।
সৌমিত্রকাকু সবসময় আমাদের জীবনে সবথেকে বড় ‘ইনস্পিরেশ’। নিঃসন্দেহে তার এ কথা হয়তো সৌমিত্র পরবর্তী প্রজন্মের সকল অভিনেতারই মনের কথা।







