লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল ছুঁড়ে রাত ৮ টার দিকে পুলিশ কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সে সময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থানা, চারুকলা, নজরুলের মাজারের সামনে এবং পাবলিক লাইব্রেরির পেছনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে ও লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নেয়।
পুলিশ টিয়ারশেল ও জলকামান ছুঁড়তে ছুঁড়তে তাদের টিএসসির দিকে ধাওয়া দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশ নজরুল মাজারের দিকে অগ্রসর হয়। পুরো এলাকা ধোয়ায় অন্ধাকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়।
রবিবার দুপুরের পর থেকেই সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা সংস্কারে চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নেয়। এতে কার্যত অচল হয়ে যায় শাহবাগ এবং আশেপাশের এলাকা। সড়কের ওপর আড়াআড়ি বাস রেখে, রাস্তায় শুয়ে পড়ে ব্যারিকেড দেয় আন্দোলনকারীরা।
আহত এক শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশের রাবার বুলেটে চোখে আঘাত পাওয়া এক শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছে আহত আরও ৫ জন।







