আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যেই বিজিএমইএ ভবন সরিয়ে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। ৬ মাস পর রাজধানীর উত্তরায় তাদের নতুন ঠিকানা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারেএ বিজিএমইএ ভবনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা এ রায় মেনে নিয়েছি। নির্ধারিত ছয় মাসের মধ্যে আমরা এখনকার ভবন থেকে চলে যাব। ৬ মাস পর রাজধানীর উত্তরায় আমাদের নতুন ঠিকানা হবে।
বিজিএমইএ ভবনে যারা ভাড়াটিয়া রয়েছেন তাদের প্রসঙ্গে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ভাড়াটিয়া আমাদেরই লোক। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না। বিজিএমইএ’র যে গতি, তাদেরও একই গতি হবে। সবার সঙ্গে সমঝোতা করে সমস্যার সমাধান করা হবে।
এর আগে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে ভবন সরাতে বিজিএমইএ’কে ৬ মাস সময় দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
ভবনটি অন্যত্র সরাতে তিন বছর সময় চেয়ে বিজিএমইএর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।
১৯৯৮ সালের ২৮ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিএমইএ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ভবন নির্মাণ শেষ হলে ২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এরপর থেকে বিজিএমইএ ভবনটি তাদের প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করছে।
রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই কারওয়ানবাজার সংলগ্ন বেগুনবাড়ি খালে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১০ সালের ২ অক্টোবর ইংরেজি দৈনিক ‘নিউ এজ’ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই দিনই প্রতিবেদনটি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ডি এইচ এম মনিরউদ্দিন আদালতে উপস্থাপন করেন।
এর পরদিন বিজিএমইএ ভবন কেন ভাঙ্গার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তার কারণ জানতে চেয়ে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন।








