আগাম নির্বাচনের দাবি করেছেন পাকিস্তানের সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি ‘প্রকৃত স্বাধীনতা’ প্রাপ্তি এবং গণতন্ত্র অর্জনের জন্য দেশবাসীকে আন্দোলনে প্রস্তুত হবার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।সেই সঙ্গে দাবি তুলেছেন- তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার মধ্যদিয়ে যে ভুল করা হয়েছে তা সমাধানের একমাত্র উপায় আগাম নির্বাচন।
ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) বৃহস্পতিবারের সমাবেশ থেকে এ দাবি তোলেন ইমরান। ডন তাদের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার গ্রেটার ইকবাল পার্কে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে ইমরানের সমর্থনে যোগদেন হাজার হাজার পুরুষ, মহিলা, অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু এবং বয়স্করা।বিদেশী প্রভু, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আত্মসম্মান নিশ্চিতের মতো বিষয় গুলো উঠে আসে ইমরানের বক্তব্য থেকে।
বিদেশে থাকা পাকিস্তানিদের বিক্ষোভকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে অভিহিত করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন: জনগণ রাজনৈতিকভাবে সচেতন হওয়ায় ষড়যন্ত্র আর কাজ করবে না। সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্টদের ওপর এফআইএ কর্তৃক ক্র্যাকডাউন এবং এ প্রচারাভিযানের প্রবণতায় পিএমএল-এন জড়িত থাকার অভিযোগের মধ্যে পিটিআই নেতা তার সমর্থকদের পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কিছু না বলার জন্য অনুরোধ করেন।
তিনি বলেন: কখনও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কথা বলবো না। সেনাবাহিনী না থাকলে আমরা বাঁচতাম না। আমার চেয়ে সেনাবাহিনী বেশি প্রয়োজন।
এর আগে নজিরবিহীন নাটকীয়তার পর অনাস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতাচ্যুত হন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।








