এ পর্যন্ত তদন্তে পুলিশ ও গোয়েন্দারা নিশ্চিত হয়েছেন অপহরণ হননি কবি ফরহাদ মজহার। তবে কি কারণে দিনভর ফরহাদ মজহার কার সঙ্গে কোথায় অবস্থান করেছিলেন তা জানতে দু-তিন দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের আইজি।
মোহাম্মদপুরের রিং রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপহরণ হয়েছেন কবি ফরহাদ মাজহার- তার স্ত্রীর এমন অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত করছে ডিবি। উদ্ধার হওয়ার পর আদালতে তার নিখোঁজ সময় কালের বিবরণ দিয়ে বিবৃতি দেয়ার পর থেকেই হাসপাতালে ভর্তি আছেন ফরহাদ মজহার। এ ব্যপারে মুখ খুলছেন না তিনি বা তার পরিজন। এরই মধ্যে রাজধানীতে মাদক বিরোধী এক অনুষ্ঠান শেষে এ ব্যাপারে কথা বলেন পুলিশের আইজি।
ক্যামেরার সামনে কথা না বললেও তদন্তকারী গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন ঢাকা থেকে খুলনা পর্যন্ত ফরহাদ মজহারের চলার পথে কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে, যার রহস্য খুঁজে বের করতে তাকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঢাকা ফেরার পথে নিজের নাম বাদ দিয়ে অন্য নামে হানিফ পরিবহনের টিকেট নিয়েছিলেন ফরহাদ মজহার। আদালতকে এ ব্যপারে বিবৃতি দিয়েছেন ওই কাউন্টারের ম্যানেজার। বলেছেন টিকেট নিজেই সংগ্রহ করেছিলেন ফরহাদ মজহার।
গত ৩ জুলাই সোমবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলী রিং রোডের ‘হক ভবন’ থেকে স্বাভাবিক পোশাকে, স্বাভাবিকভাবে হেঁটে বের হন ফরহাদ মজহার। কিছুক্ষণ পরে তার স্ত্রী ফরিদা আখতারের মোবাইল ফোনে ফরহাদ মজহার নিজেই জানান, কেউ তাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে।
সেসময় তাকে মেরে ফেলা হতে পারে বলেও আশঙ্কার কথাও জানান তিনি। ফরহাদ মজহার নিয়মিত যে নম্বর ব্যবহার করেন তার বদলে মাঝেমধ্যে ব্যবহার করেন এমন নম্বর থেকে তার স্ত্রীর ফোনে ফোন আসে।
প্রয়োজন হতে পারে জানিয়ে ফোনে ফরহাদ মজহার ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতেও বলেন।
এরপর নিখোঁজ লেখক-কলামিস্ট ফরহাদ মজহারের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তার মোবাইল ট্রাকিংয়ের ম্যাধমে মোবাইলের লোকেশন সনাক্ত করে খুলনার কেডিএ অ্যাপ্রোচ রোড এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব।
পরে সেদিন রাতেই যশোর থেকে উদ্ধার করা হয় ফরহাদ মজহারকে। মঙ্গলবার সকালে তাকে ঢাকা নিয়ে আসা হয়। এদিন নিজের জিম্মায় আদালত থেকে মুক্তি পেয়ে বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।
বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:








