অস্ট্রিয়ার জোট সরকার নতুন একটি পরিকল্পনা নিয়েছে। দেশটির অভিবাসীদের জন্য উপকারী অর্থ প্রদান বন্ধ করা হবে। এই তালিকায় থাকছে শরণার্থীরাও। নতুন কোনো অভিবাসীর আগমন ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে অস্ট্রিয়া।
অভিবাসীরাও এই সুবিধা পাওয়ার দাবি জানাতে পারবে না আগামী ৫ বছর। অস্ট্রিয়ার কনজারভেটিভ চ্যান্সেলর সেবাস্টিয়ান কুর্জ, ডানপন্থীদের সঙ্গে সরকার গঠন করে অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার প্রতিজ্ঞা করেন।
গত বছরের সংসদীয় নির্বাচেনের সময়েই শরণার্থীদের দেওয়া সুযোগ সুবিধায় লাগাম টানার কথা বলে প্রচারণা চালান তিনি এবং বলেন ইউরোপে অভিবাসীদের আসা বন্ধ করা হবে।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে কুর্জ বলেন, যে মূল নীতিটা আমরা পরিচিত করাবো সেটা হলো জার্মানরা পূর্ণ সর্বনিম্ন সুবিধা পাওয়ার মূল কেন্দ্র হবে। তার মানে যাদের কম ভাষাজ্ঞান রয়েছে তারা পূর্ণ সর্বনিম্ন সুবিধা দাবি করতে পারবে না।
সোমবারের এই ঘোষণায় অস্ট্রিয়ায় সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য দেশগুলোর দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করবে বলে মন্তব্য অনেকের। কারণ ইইউ গঠনের সময়ই উল্লেখ করা হয়েছিলো তাদের সব অধীনের সবগুলো দেশের বাসিন্দাদের সঙ্গেই সমানভাবে আচরণ করা হবে।
অস্ট্রিয়ার কনজারভেটিভ পিপল’স পার্টি এবং ডানপন্থী ফ্রিডম পার্টির মধ্যে গড়ে ওঠা জোট সরকার গঠন করে ডিসেম্বরে। তার আগে অক্টোবরের ১৫ তারিখের নির্বাচনে কোনো সিদ্ধান্তগ্রহণমূলক ফলাফল না আসায় এই জোট গঠন করা হয়।
দুই দলেরই নির্বাচনী প্রচারণা প্রভাবিত ছিলো ইউরোপের অভিবাসন সংকট নিয়ে। আর দীর্ঘ সময় ধরে অভিবাসনবিরোধী ফ্রিডম পার্টি এই বিষয় নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলো।
২০১৫ সালে ইউরোপে অভিবাসন সংকট বেড়ে যায়। সেই সময়ে ৯০,০০০ মানুষ অস্ট্রিয়ায় অভিবাসন প্রত্যাশা করে। সেটা দেশটির ১ শতাংশের বেশি। শুরুর দিকে অভিবাসীদের স্বাগত জানানো হলেও খুব শিঘ্রই দেশটির সিদ্ধান্ত বদলে যায়।








