ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ আর নেই (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)। মঙ্গলবার বিকাল চারটা ৩৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আজ দুপুর ১২টার দিকে উত্তরার বাসাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তাজিন আহমেদ। এরপর তাকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েক ঘণ্টা লাইফ সাপোর্টে রাখার পর তাজিন আহমেদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবর চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম। তিনি বলেন, মৃত্যুর আগে তাজিনকে ইলেক্ট্রিক শক দিয়েও রাখা হয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। তাজিন ৪ টা ৩৫ মিনিটে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন।
জানা যায়, তাজিন আহমেদের এজমার সমস্যা ছিল। হার্টের কোনো সমস্যা ছিল এটা জানা ছিল না। হঠাৎ করেই দুপুর ১২ টার দিকে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন।
ইডেন কলেজ থেকে ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর করা তাজিন আহমেদ ভোরের কাগজ, প্রথম আলোসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেছেন। আনন্দ ভুবন ম্যাগাজিনের কলামিস্টও ছিলেন তিনি। পরে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মা দিলারা জলির প্রোডাকশন হাউজ ছিল। মায়ের হাত ধরেই অভিনয়জগতে প্রবেশ করেন তাজিন।
‘নাট্যজন’ নাটকদলের হয়ে তিনি মঞ্চে কাজ করেছেন। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ নাট্যদলে যোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত ‘আরণ্যক’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। টিভি নাটকে অভিনয় করে পরবর্তীসময়ে দর্শকের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেন তাজিন আহমেদ। রেডিও এবং টেলিভিশনে উপস্থাপনাও করেছেন।
তাজিনের লেখা ও পরিচালনায় তৈরি হয় ‘যাতক’ ও ‘যোগফল’ নামে দুটি নাটক। তার লেখা উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে ‘বৃদ্ধাশ্রম’, ‘অনুর একদিন’, ‘এক আকাশের তারা’, ‘হুম’, ‘সম্পর্ক’ ইত্যাদি।







