চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • নির্বাচন ২০২৬
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

অভিনেতার কখনো মৃত্যু হয় না: আজম খান

মিতুল আহমেদমিতুল আহমেদ
১০:০৪ অপরাহ্ন ২৩, মার্চ ২০১৯
বিনোদন
A A

শখের বশে অভিনয়ে নাম লিখিয়ে ছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি বেসরকারি ব্যাংকে কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত মধ্য বয়সী আজম খান। এফ কিউ পিটারের পরিচালনায় ‘দ্য হিরো’র মধ্য দিয়ে মিডিয়া জগতে পা রেখে গত চার বছরে একশোর বেশি নাটক ও টেলিফিল্মে কাজ করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে বিজ্ঞাপন, মিউজিক ভিডিও ও চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। অন্য পেশা থেকে এসে মিডিয়াতে নিজের চার বছরের ক্যারিয়ার নিয়ে চ্যানেল আই অনলাইনের সাথে কথা বলেছেন শখের এই অভিনেতা:

শখের বশে কাজ করতে এসে এতো দূর, কীভাবে সম্ভব?
ব্যক্তিগত জীবনে আমি কাজ করছি দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় একটি ব্যাংকে। সেখানে কমিউনিকেশন বিভাগে কাজ করছি। ছোটবেলায় বক্তৃতা দেয়া, কবিতা আবৃত্তি, মূকাভিনয় এগুলো করতাম, শীর্ষ সংগঠন করতাম। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন পড়াশোনা করলাম তখন রেডিওতে কিছু প্রোগ্রাম করেছি। বহুদিন যুক্ত ছিলাম ছাত্রাবস্থায়। এরপর আমি প্রফেশনালি কাজ করেছি কমিউনিকেশন ও মার্কেটিং সেক্টরে। এই সেক্টরে কাজ করতে গিয়ে মিডিয়ার সাথে আমার সম্পৃক্ততা। কিন্তু সেই সময় ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সময় ও সুযোগের অভাবে কাজ করা হয়ে ওঠেনি। তারপরও ‘ট্রেড এন্ড কমার্স’এর বিষয় নিয়ে মিডিয়াতে আসা হতো বা কোনো প্রোগ্রাম যখন আমরা স্পন্সর করতাম তখন আসা লাগতো। তো সেই সূত্র ধরেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। শিল্পী চন্দন সিনহাকে একদিন নিজের ভেতরের সুপ্ত ইচ্ছেও জানিয়েছিলাম। বলেছিলাম, যদি অভিনয়ের কোনো সুযোগ আসে বা ক্যামেরার সামনে কাজ করার তাহলে ভালোই হয়। উনি তখন আমাকে বেশ কয়েকজন গুণী নির্মাতার সাথে পরিচয় করিয়ে দেন, সেটা ২০১৫ সালের শুরুর দিকে। সে বছরই জুলাইয়ের ১৫ তারিখে আমি প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়াই।
শখের বশে ক্যামেরার সামনে। অনুভূতি কেমন ছিলো?

ওই দিনটা আমার জন্য বহু আনন্দের আবার আরেক দিক থেকে খুবই বেদনার। কারণ ওই দিনই আমার মা মারা যান। আমার মা বহুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। ওই দিনের আগ পর্যন্ত আমার প্রতিটি দিন শুরু হতো মায়ের সাথে সকাল বেলা দেখা করে, তার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে যেতাম। ওই দিন আমি মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হয়েছিলাম ঠিকই কিন্তু ফিরে এসে আর তাকে পাইনি।

প্রথম কী কাজ করেছিলেন, মনে আছে?

এটা ছিল এফ কিউ পিটারের একটা টেলিফিল্ম। এবং আমার সৌভাগ্য ওই টেলিফিল্মটি চ্যানেল আইতে প্রচার হয়েছিল। ওই টাইমে আমি শহীদুজ্জামান সেলিমের সাথে কাজ করেছিলাম। এর ঠিক পরপরই বিটিভির জন্য আমি একটা ধারাবাহিকে কাজ পেয়ে যাই। তারপর তৃতীয় কাজটা করি নাট্য নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর সাথে। ২০১৬ সালে ঈদের কাজ ছিল সেটা। তারপর থেকে মোটামুটি নিয়মিতই টেলিভিশন মিডিয়ায় কাজ করছি। ২০১৬ থেকে আজ পর্যন্ত প্রচুর কাজ করেছি। শুরু করেছিলাম নাটক-টেলিফিল্ম দিয়ে এবং পরবর্তীতে মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছি ধারাবাহিক করেছি বেশ কিছু।
 
আপনাকে তো বিজ্ঞাপনেও দেখা গেছে?
হ্যাঁ। গত বছর আমি প্রথম বিজ্ঞাপনে কাজ করি। বেশ কিছু ব্র্যান্ডের কাজ করেছি। গত বছর কিন্তু একটা সিনেমাতেও কাজ করেছি।
কোন সিনেমা?
সিনেমাটার নাম হচ্ছে ‘সাপলুডু’। গোলাম সোহরাব দোদুলের সিনেমা এটি। মুক্তির প্রতীক্ষায় আছে। চলতি বছরে আরো দুটি সিনেমায় কাজ করার কথা রয়েছে।
অল্প সময়ে আপনিতো মিডিয়ার সব সেক্টরেই কাজ করেছেন। বিজ্ঞাপন, নাটক, টেলিফিল্ম, ধারাবাহিক এবং সর্বশেষ সিনেমাতেও অভিনয় করলেন। সব গুলোর মধ্যে সিনেমাতো বড় মিডিয়াম। আপনি ডিফারেন্ট টেস্ট পেয়েছেন?
আমার কাছে মনে হয়েছে ছোট পর্দার সাথে সিনেমার সবচেয়ে বেসিক পার্থক্য হচ্ছে, সিনেমায় সবকিছু ডিটেইল থাকে। ধরেন লাইটিং, এটা সিনেমায় এতো ডিটেইল করা হয় যা নাটকে খুব একটা না। আমি যদি তুলনামূলকভাবে বলি তাহলে বলব নাটকের জন্য একই লাইটিং করতে যে সময় নেয়া হয়, সিনেমায় সেটা অন্তত দশ গুণ। সিনেমায় একটা ক্যামেরায় কাজ হয় না একাধিক ক্যামেরায় কাজ হয়। আর প্রত্যেকটা সিকোয়েন্স খুব সহজে ওকে হয় না। এক কথায় যদি বলি তাহলে বলতে হয় সিনেমা খুব ডিটেইল ওয়ার্ক এর জায়গা। নাটকের নির্মাতারা অনেক কিছু কম্প্রোমাইজ করেন, তাদের করতে হয়। সার্বিক দিক বিবেচনা করেই করতে হয়। সিনেমায় দেখা যায় শটটি পুরো পুরি ঠিক না হলে একটা সিকোয়েন্স সারাদিন লেগে যায়। অথচ নাটকের ক্ষেত্রে এক দিনে অন্তত ১৩/১৪টা সিকোয়েন্স শেষ করতে হয়। আরেকটি বেসিক পার্থক্য যদি বলি, নাটক তো সবাই ঘরে বসে দেখে বা মোবাইল ফোনে দেখে, কিন্তু সিনেমা তো একজন দর্শক তার পকেটের টাকা খরচ করে দেখবে। ফলে এখানে কম্প্রোমাইজিং এর কোন সুযোগ নেই।
চার বছরের মিডিয়ায় কাজের অভিজ্ঞতায় কোনো পরিবর্তন দেখতে পেয়েছেন? মানে কন্টেন্টের মান পড়ে গেছে, এমন অভিযোগ কীভাবে দেখেন?
এখন ওয়েব কনটেন্ট প্রচুর তৈরি হচ্ছে। আমি নিজেও ইউটিউব এর জন্য কিছু কাজ করেছি। এর মধ্যে মাবরুর রশিদ বান্নাহ্’র কয়েকটি কাজ আমি করেছি। বিশেষ করে এই ‘ছেলেটা বেয়াদব’, ‘ছেলেটা বেয়াদব-২’ করেছি। ‘ছেলেটা বেয়াদব-৩’ অনলাইনে আসার কথা পহেলা বৈশাখে।
আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়, যে মাধ্যমেই কন্টেন্ট আসুক না কেন, ভালো ডিরেক্টর কিন্তু কোনো কম্প্রোমাইজ করেন না। সর্বোচ্চ যত্ন নিয়ে তিনি তার কন্টেন্ট নির্মাণ করেন। যারা মূলত নতুন তাদের স্বাধীনতা অনেক, ওয়েবে কন্টেন্ট বানালে কোন রিভিউয়ে যেতে হয় না, কোনো জবাবদিহিতা নেই। ভিউ বিষয়টা মাথায় রেখে আমাদের সংস্কৃতির সাথে যায় না এমনটাও দেখিয়ে ফেলেন, প্রশ্নবিদ্ধ অনেক বিষয় অনলাইনের জন্য নির্মিত কন্টেন্টে চলে আসে। কিন্তু আমরা এখনও পারিবারিক মূল্যবোধ দ্বারা প্রভাবিত। এই দিক থেকে দেখতে গেলে ওয়েব কনটেন্ট এর কিছু কিছু বিষয় একটু দৃষ্টিকটু লাগে কখনো কখনো। যা বলতে চাইছি সেটা হলো ওয়েব কন্টেন্টে এমন কিছুও নির্মিত হচ্ছে, যেগুলো আমাদের লাইফস্টাইল, পারিবারিক জীবন, অভ্যস্ত জীবনের সাথে যায় না। 
আরেকটি কথা। আগে কিন্তু আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন প্রচুর গল্প নির্ভর কাজ দেখতাম। ‘সেইসব দিনরাত্রি’ সহ আরো এরকম প্রচুর নাম বলা যাবে। কিন্তু এখন প্রচুর নাটক হয় যেখানে ক্যারেক্টার মাত্র দুজন। দেখা গেল একটা ছেলে বা মেয়ের গল্প, এর বাইরে আর কেউ নেই। ওই ছেলে বা মেয়েটার জীবনের সংঘাত দ্বন্দ্ব এগুলো দেখানো হচ্ছে নাটক। কিন্তু একটা ছেলে বা মেয়ের তো ফ্যামিলি থাকার কথা! ছেলে মেয়ের মা-বাবা আছে, ভাই বা বোন আছে, তারাতো থাকার কথা। কিন্তু নাটকে অনেক সময় এগুলো এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। যদিও এর জন্য বাজেট একটা ফ্যাক্ট। অল্প বাজেটে অল্প ক্যারেক্টার নিয়ে একটা গল্প দাঁড় করার যে প্রবণতা এটা একটু বেশি হচ্ছে ইদানিং। আমি ব্যক্তিগতভাবে বলি, বিশেষ করে ঈদ সিজনে প্রচুর ওয়েব-কনটেন্ট হয় প্রচুর নাটক তৈরি হয়। কন্টেন্ট গুলো নির্মাণে এখন বড় বড় কোম্পানিগুলোও এগিয়ে আসছে, নিয়মিত কাজ করছে। তাদের কাছে আমার ব্যক্তিগত চাওয়া, এই ব্যাপারগুলি তারা দেখবেন। অন্তত বাজেটের ব্যাপারটা যদি তারা ডিরেক্টরকে ক্লেয়ার করেন তাহলে আমার মনে হয় দুই ক্যারেক্টার নিয়ে যে গল্প বলার প্রচেষ্টা এটা হয়তো থাকবে না।
আপনি তো  ২০১৫ সালে অন্য পেশা থেকে এসে অভিনয়ে যোগ দিলেন। যারা আগে থেকেই মিডিয়াতে ছিল তারা আপনাকে কীভাবে গ্রহণ করলেন?
এই বিষয়ে আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ আমার সহ অভিনেতা-অভিনেত্রীদের প্রতি। সত্তরের দশকের হাসান ইমাম থেকে শুরু করে আবুল হায়াত, শর্মিলী আহমেদ, ডলি জহুর, আশির দশকে যারা আছেন জনপ্রিয় তাদের মধ্যে আফজাল হোসেন, সুবর্ণা আপা, আফসানা মিমি, শহীদুজ্জামান সেলিম, আবার নব্বই দশকের যদি ধরেন তাহলে মাহফুজ আহমেদ, তৌকির আহমেদ, বিপাশা হায়াত, শমী কায়সার, আর এই সময়ের ক্রেজ সিয়াম আহমেদ, জোভান, শবনম ফারিয়া সহ সব প্রজন্মের সাথে আমি কাজ করেছি। সবার থেকে আমি সহযোগিতা পেয়েছি, সহযোগিতা পাচ্ছি। শুরুর দিকে যখন আমি মিডিয়াতে আসলাম তখন কিন্তু আমি বলতাম যে আমি শখে কাজে এসেছি। পরবর্তীতে আমার কাছে মনে হয়েছে আমি শখ করে এলেও এটা মূলত আমার দ্বিতীয় পেশা হিসেবে দেখা উচিত। এবং আমি তাই দেখছি। এখন অভিনয় করতে হলে অভিনয় সংঘের সদস্য পদের প্রয়োজন হয়, আমি সেটার জন্য আবেদন করেছি। আমাকে অভিনয় সংঘের সদস্য করায় আমি খুবই আপ্লুত এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে কাজ করতে গেলে কিছু কনফ্লিক্ট হয়, যেহেতু আমি অন্য পেশার মানুষ। সময় ও সুযোগ একটা বিষয়। ব্যক্তিগত যেটুকু সময় পাই, সেখান থেকে অভিনয়ে সময় দেই। সেদিক থেকে আমি খুবই কৃতজ্ঞ যারা নির্মাতা আছেন তাদের প্রতি, এবং অভিনেতা অভিনেত্রীদের প্রতি। 
এ পর্যন্ত আপনি একশোর উপরে নাটকে কাজ করছেন, যদি বলা হয় তাদের মধ্য থেকে আপনি কাদের পরিচালনায় কাজ করে বেশি কমফোর্ট ফিল করেছেন?
এটা সত্যিই খুব সেনসেটিভ একটি প্রশ্ন। তারপর আমি বলবো, এখন পর্যন্ত একশোর বেশি নাটক টেলিফিল্ম মিলিয়ে কাজ করেছি কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ৫০টির বেশি কাজ করেছি নাট্য নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর নির্দেশনায়। উনার কাজের ধারা টা সম্পূর্ণ ডিফারেন্ট। তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, কারণ তার কাছ থেকে আমি অভিনয়ের অনেক কিছু শিখেছি। তিনি আমাকে অনেক সুযোগ দিয়েছেন কাজ করার। স্পেস দিয়েছেন। কাজ করতে করতে মনে হয়েছে উনার কাজের ডিফারেন্ট একটা ধারা আছে। উনার কাজের একটা বড় বিষয় হচ্ছে প্রেম। প্রেম শুধু নায়ক নায়িকার প্রেম না। একটা ফ্যামিলির মূল্যবোধ, ভালো লাগা কিংবা পজিটিভ একটা বিষয় তার নাটকে থাকে। এসব দিক থেকে চয়নিকা চৌধুরীকে আমার ডিফারেন্ট মনে হয়, তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। এরপরে আমি যাদের কাজ করেছি তার মধ্য থেকে মাহফুজ আহমেদের কাজ করে খুব ভালো লেগেছে। উনার কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত। সকাল আহমেদের কাজ করেছি, গৌতম কৈরীর কাজ করেছি। আরো এরকম কিছু নাম আছে এই মুহূর্তে মনে আসছে না। এছাড়া মূল ধারার যারা আছেন তাদের মধ্যে সাজ্জাদ সুমন, তুহিন হোসেন আছেন। প্রত্যেকের একটা নিজস্ব স্টাইল আছে। তবে ইয়ংদের কাজ অসাধারণ, আমি অনেক তরুণদের কাজ করেছি যাদের বয়স ত্রিশও পার হয়নি। কিন্তু তাদের প্যাশন, কাজের প্রতি তাদের যে কৃতজ্ঞতাবোধ এটা মুগ্ধ করার মতো। আমি তো সিওর এসব তরুণরা আরো সুযোগ পেলে আগামী দশ বছর আমাদের নাটক সিনেমায় একটা বিরাট পরিবর্তন আমরা দেখতে পাব। আউটলুক চেন্জ হবে, কন্টেন্ট চেঞ্জ হবে। অনেক কিছুর পরিবর্তন আমরা দেখতে পারবো যদি তরুণদের আমরা সেই সুযোগটা দিতে পারি। এই মুহূর্তে অনেক চ্যানেল হয়তো তরুণদের উপর ভরসা রাখতে কনফিডেন্ট পাচ্ছে না, অনেকে লগ্নি করে হয়তো তরুণদেরকে কাজ দিয়ে রিক্স নিতে চাইছে না, কিন্তু এরা প্রত্যেকেই অনেক ভালো মেকার। সে দিক থেকে আমি খুব আশাবাদী যে আগামীতে এই সেক্টরে উন্নতি অভিসম্ভাব্য।
 
ভবিষ্যত ক্যারিয়ার নিয়ে পরিকল্পনা কী?
আমি এভাবে চিন্তা করি, অভিনেতার তো কখনো মৃত্যু হয় না। কেন হয় না? অভিনেতা মারা যাবে, কিন্তু তার কাজটাতো থেকে যাবে। আমাদের দেশে এরকম অনেকে আছেন। নামকরা নামকরা মানুষ আছেন, যারা মারা গেছেন কিন্তু অভিনেতা হিসেবে এখনো ভাস্বর। যাদের মৃত্যু ঘটেনি। মিডিয়াতে কাজ করা আমি পছন্দ করি, এনজয় করি এবং ভালোবাসি। এখন যেহেতু আমি অন্য একটা প্রফেশনে আছি তাই খুব একটা সময় দেয়া যায় না। নির্দিষ্ট সময়ের পর সেই পেশা থেকে যখন অবসর নিবো, তারপরে হয়তো আমি মিডিয়াতে সম্পূর্ণ ভাবে সময় দিতে পারবো। 
ছবি: সাকিব উল ইসলাম
Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: আজম খানআফজাল হোসেনআফসানা মিমিআবুল হায়াতচয়নিকা চৌধুরীজোভানডলি জহুরতৌকির আহমেদবিপাশা হায়াতমাহফুজ আহমেদলিড বিনোদনশবনম ফারিয়াশমী কায়সারশর্মিলী আহমেদশহীদুজ্জামান সেলিমসিয়াম আহমেদ
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ঢাকা-১১ আসনে বিজয়ী নাহিদ ইসলাম

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

‘না’ ভোট জিতেছে যে চারটি আসনে

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

কোন আসনে বিএনপির কারা কারা বিজয়ী

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

নাটোরের ৪টি আসনেই ধানের শীষ বিজয়ী

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT