অবশেষে বিপিএলের সীজন থ্রিতে জয়ের স্বাদ পেল সিলেট সুপার স্টারর্স। চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রবি বোপারার অলরাউন্ডিং পারফরমেন্সে ভর করে সিলেট সুপার স্টারর্স কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে দুই বল হাতে রেখে চার উইকেটে পরাজিত করেছে।
জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিলো ছয় রানের। আবু হায়দার রনির করা প্রথম বলে শ্রীহান জয়সুরিয়া এক রান নিয়ে দেন রবি বোপারারকে। তবে রনির দ্বিতীয় বলেই লং অনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন বোপারা।
বাতাসে তখন গুঞ্জন সিলেটের তীরে এসে তরী ডোবানোর আরেকটি ম্যাচের গল্প। সেই গল্পটা আরো জোরালো হয় যখন রনির গুড লেন্থের বলে শ্রীহান সরাসরি বোল্ড আউট হন।
শেষ তিন বলে দরকার তিন রান। পিন পতন নীরবতা সিলেটের ডাগ আউটে। কিন্তু সেই গল্পের চিত্রনাট্য আর বড় হতে দেয় নি ব্যাটসম্যান মিলন। রনির পরের বলকে স্ট্রেইট ছক্কায় রূপান্তর করলে সিলেটের শিবিরে নীরবতার বদলে জয়ের উৎসব শুরু হয়।
১৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে রবি বোপারার ৫০, মুশফিকের ৪৭ ও মুনাভীরার ৩৬ রানে ভর করে প্রথম জয়ের দেখা পায় সিলেট। এর আগে চট্টগ্রাম পর্বের সোমবারের দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিকের সিলেট সুপার স্টারর্সকে ১৬৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে মাশরাফির কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা সংগ্রহ করে পাঁচ উইকেটে ১৬৪ রান।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লাকে দারুণ সূচনা এনে দেয় লিটন দাস ও ইমরুল কায়েস। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে তারা সংগ্রহ করে ৫৩ রান। উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৫৬ রান। বিপিএলের ঢাকা পর্বে ব্যাট না হাসা লিটন দাস ২৪ বলে ছয়টি চার ও একটি ছয়ে করেন ৪২ রান। ইমরুল কায়েস করেন ৪৮ রান।
দলীয় ৫৬ রানে লিটনের আউটের পর দশ রানের ব্যবধানে দুই উইকেট হারায় কুমিল্লা। এরপর আসার জাইদীর ৩৬ বলে পাঁচটি চার ও দুই ছয়ে সর্বোচ্চ ৫৩ রান দলকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে সহায়তা করে।
সিলেট সুপার স্টারর্সের পক্ষে চারটি উইকেট নেন রবি বোপারা।







