বর্তমানে দেশে তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে সাইবার ক্রাইমও বাড়ছে। সন্ত্রাস রোধে নতুন ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০১৫’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশে যুগোপযোগী এ আইনের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সাইবার অপরাধের কারণে ঝুঁকিতে পড়ছে মানুষের মূল্যবান ডিভাইস। এমন বাস্তবতায় সাইবার অপরাধকে নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন নতুন আইন।
আইসিটি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি আইন ২০০৬’ সাইবার ক্রাইমের জন্য না। এটা করা হয়েছিলো ডিজিটাল সিগনেচারের জন্য। সাইবার ক্রাইমের জন্য আলাদা আইন লাগবে। এবং আমি বলবো ‘তথ্যপ্রযুক্তি আইন ২০০৬’ এর মধ্যে সংজ্ঞাগুলো স্পষ্ট না, এগুলো সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়নি।
তথ্য-প্রযুক্তি আইনে সাইবার ক্রাইম নিয়ে কয়েকটি ধারা থাকলেও তা সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট নয়। নতুন আইনের খসড়া তৈরি হয়েছে। চলছে পর্যালোচনা। এ আইনে অপরাধীদের দ্রুত সনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হারুনুর রশিদ বলেন, সাইবার সিকিউরিটি আইনটি একেবারেই নতুন। এর মাধ্যমে জণগণ সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে, তার ডিভাইস সম্পর্কে সচেতন হবে। তার কম্পিউটার কিভাবে নিরাপদ রাখা যায় সে ব্যাপারে সচেতন হবে।
তিনি আরো বলেন, যারা সাইবার ক্রাইম করে তারাও সচেতন হবে। কারণ সেটা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এতে শাস্তির বিধানও থাকবে।
এ আইনের খসড়া যাচাই-বাছাই শেষে শিগগিরই চূড়ান্ত করে তা পাসের জন্য জাতীয় সংসদে উপস্থাপনা করা হবে।







