কড়া আম্পায়ার হিসেবে খ্যাতি ছিল তার। সেই অস্ট্রেলীয় সাবেক আম্পায়ার ড্যারেল হার্পার জানাচ্ছেন অতীতেও নাকি বল টেম্পারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন স্টিভেন স্মিথ এবং ডেভিড ওয়ার্নার!
অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হার্পার বলেন, দুই বছর আগে ঘরোয়া শেফিল্ড শিল্ডে টেম্পারিংয়ের সময় ধরেছিলেন ওয়ার্নারকে। নিউ সাউথ ওয়েলস বনাম ভিক্টোরিয়ার সেই ম্যাচে ওয়ার্নার-স্মিথ দুজনকেই সতর্ক করেছিলেন ম্যাচ রেফারি হার্পার নিজে।
‘ম্যাচের প্রথমদিন থেকেই ওয়ার্নার বল হাতে পেয়ে তা উইকেটরক্ষক পিটার নেভিলকে সরাসরি না ছুঁড়ে মাটিতে জোরে জোরে ড্রপ করিয়ে তারপর পাঠাচ্ছিল। সব দেখার পরে দুই আম্পায়ার স্টিভ স্মিথকে অনুরোধ করেন তা বন্ধ করে ভালোভাবে খেলার জন্য। কিন্তু স্মিথ আম্পায়ারদের সেই আবেদনে সাড়া দেননি।’
বল জোরে জোরে ড্রপ দেয়াও এক ধরণের টেম্পারিং। এতে বলের একপাশ নষ্ট হয়ে রুক্ষ হয়ে যায়।
হার্পার জানিয়েছেন বারবার স্মিথকে সতর্ক করার পরও শোধরাননি তিনি। তাই দ্বিতীয়দিন ডেকে পাঠানো হয় সাউথ ওয়েলসের কোচ ট্রেন্ট জনসনকে। এরপর বল ড্রপ করানো বন্ধ করে স্মিথের দল।
পরে ম্যাচ হেরে যায় নিউ সাউথ ওয়েলস। ম্যাচ হেরে উইকেটের দোষ দেন স্মিথ। স্মিথদের এমন কাণ্ড তখন অস্ট্রেলীয় আম্পায়ার্স কমিটির প্রধান সাইমন টফেলকে মেইল করেছিলেন বলে দাবি হার্পারের।
‘ম্যাচে হেরে সিডনি ক্রিকেট মাঠের উইকেট নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিল স্মিথ। এমনকি শেফিল্ড শিল্ডের ম্যাচ নিয়েও অখুশি মনোভাব ব্যক্ত করে সে। একজন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের কাছ থেকে এমনটা মোটেও কাম্য নয়। পুরো ঘটনা মেইল করে জানিয়েছিলাম ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ রেফারি ও আম্পায়ার নির্বাচন কমিটির ম্যানেজার সাইমন টফেলকে।’








