“অটিজমে আক্রান্ত শিশুরা সমাজে অবহেলিত। তারা আসলে প্রতিবন্ধি নয়। তারা ভিন্নভাবে সক্ষম। আর তাদের সাথে সময় কাটিয়ে একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। এই রকমভাবে আরও অনেকেই অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের সমর্থনে তাদের পাশে এসে দাড়াবেন বলেই আমার প্রত্যাশা।”
শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট দল এবং অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের সাথে একটি অসাধারণ সময় কাটানোর কথা বুধবার বিকালে নিজের ফেসবুকে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের স্বণামধন্য সাংবাদিক জ.ই. মামুন। সেই সূত্রে ফোনে চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। ভিন্নভাবে সক্ষম শিশুদের প্রতি সমাজের আচরণে পরিবর্তনের আহবান এবং লঙ্কান ক্রিকেট দলের এই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রশংসা করেন তিনি।
অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের অভিভাবকদের সংগঠন প্যারেন্টস ফোরাম ফর ডিফারেন্টলি অ্যাবেল চিলড্রেনস এবং শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ ক্রিকেট এ্যাসোসিয়েশন (এসএলবিএফসিএ) এর উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একে খুবই ভালো একটি উদ্যোগ বলে মন্তব্য করেন জ.ই. মামুন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লঙ্কান অধিনায়ক মালিঙ্গা, কুলাসেকারাসহ অন্যান্য প্লেয়াররা। এছাড়াও ছিলেন বাংলাদেশে নিযু্ক্ত শ্রীলঙ্কান হাইকমিশনার এবং ইউনিসেফের কর্মকর্তা ড্যানি রহমান।
সেখানে ক্রিকেটাররা অটিস্টিক বা ভিন্নভাবে সক্ষম শিশুদের সাথে গান গেয়েছেন। তাদের মনে রাখার মতো একটি সময় উপহার দিয়েছেন লঙ্কান ক্রিকেটাররা। আর তাই মালিঙ্গাদের প্রতি মামুনের শ্রদ্ধাবোধও ফুটে উঠে তার মন্তব্যে।
চলমান এশিয়া কাপের উম্মাদনার মধ্যে আয়োজিত বলেই ক্রিকেট সংক্রান্ত আলাপ আলোচনা সেখানে হওয়াটাই ছিলো স্বাভাবিক। তবে রাজধানীর লে ম্যারিডিয়ান হোটেলের সেই অনুষ্ঠানটিতে ক্রিকেট সংক্রান্ত কোন আলোচনাই হয়নি বলে জানান জ.ই. মামুন।
ভিন্নধর্মী এই অনুষ্ঠান শেষে জ.ই. মামুন তার ফেসবুকে অসাধারণ একটি দুপুর কাটানোর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে লিখেন, ভিন্নভাবে সক্ষম শিশু, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট টিম এবং শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনারের সাথে একটি ভিন্নধরনের দুপুর কাটালাম। স্ট্যাটাসটির সাথে সেখানকার বেশ কয়েকটি ছবিও পোস্ট করেন তিনি।







