চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

৯ মাসে গ্রামীণফোনের আয়বৃদ্ধি ৯.৫ শতাংশ

২০১৯ সালের প্রথম ৯ মাসে গ্রামীণফোন মোট ১০,৭৫০কোটি টাকা আয় করেছে যা গতবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯.৫% বেশি। অপারেটরটির গ্রাহক সংখ্যা ৬% বেড়ে বছরের প্রথম ৯ মাসে দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৫৭ লাখ।

এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৪ লাখ নতুন গ্রাহক নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করেছে যা ২০১৮ সালের শেষ প্রান্তিকের থেকে ৬% বেশি।এসময়ে প্রতিষ্ঠানটির ইন্টারনেট গ্রাহক বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ লাখ। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ৫৩.৭% গ্রাহক ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার জিপি হাউজে গ্রামীণফোন এর তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও মাইকেল প্যাট্রিক ফোলি এবং সিএফও ইয়েন্স বেকার। এসময় তারা এসব তথ্য দেন।

গ্রামীণফোন এর সিইও মাইকেল প্যাট্রিক ফোলি বলেন, “প্রতিকূল নিয়ন্ত্রকমূলক পরিবেশ থাকা সত্বেও আমরা তৃতীয় প্রান্তিকে শক্তিশালী ব্যবসায়িক ফলাফল অর্জন করেছি। নেটওয়ার্ক সম্প্রসারনে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন বা এনওসি প্রদান বন্ধের কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও গ্রামীণফোন দেশের ৯৯.৫% গ্রাহককে তার নেটওয়ার্কে আওতায় মোবাইল সেবা প্রদান করছে। ৬৯% জনগোষ্ঠী আমাদের ফোরজি নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছে। ভয়েস সেবা থেকে আমাদের প্রাপ্ত আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর পাশাপাশি ইন্টারনেট সেবা ব্যবহারসহ ইন্টারনেট ভিত্তিক আয়বৃদ্ধিও পরিলক্ষিত হচ্ছে।আমাদের গ্রাহক সংখ্যার ৫৩.৭% বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।”

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের শেয়ার হোল্ডারদের স্বার্থরক্ষা, গ্রাহকদের সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদান এবং দেশজুড়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য এবং এটি ধরে রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।’

বিজ্ঞাপন

১৯.৯% মার্জিনসহ তৃতীয় প্রান্তিকের পরবর্তী নীট মুনাফা ছিলো ৭৩০কোটি টাকা। এই সময়কালের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৫.৩৮টাকা।

গ্রামীণফোন এর সিএফও ইয়েন্স বেকার বলেন, ‘২০১৯ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে গ্রামীণফোন উল্লেখযোগ্য মার্জিন সহ উল্লেখযোগ্য ব্যবসায়িক ফলাফল অর্জন করেছে।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের জন্য যথাযথ মোবাইল সেবা নিশ্চিত করতে আমরা মানসম্মত গ্রাহক বৃদ্ধির পাশাপাশি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এবং পরিচালন ব্যবস্থা তৈরি করতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবো।’

তৃতীয় প্রান্তিকে গ্রামীণফোন নেটওয়ার্ক কভারেজ এর জন্য ২১০কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এনওসি প্রদান বন্ধের কারণে পরিকল্পনার তুলনায় এই বিনিয়োগের পরিমান কমেছে। নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের জন্য প্রতিষ্ঠানটি ১৮১২টি নতুন ফোরজি সাইট চালুকরেছে যার ফলে মোট সাইটের সংখ্যা এখন ১৬,৩৮৯টি। কর, ভ্যাট, ফিস, ফোরজি লাইসেন্স এবং তরঙ্গ বরাদ্দের ফিস বাবদ গ্রামীণফোন বছরের প্রথম ৯ মাসে সর্বমোট ৬১৪০কোটি টাকা পরিশোধ করেছে যা প্রতিষ্ঠানটির মোট আয়ের ৫৭%।

টেলিনর গ্রুপের অঙ্গ সংগঠন গ্রামীণফোন ৭৫ মিলিয়ন এরও অধিক গ্রাহক নিয়ে বাংলাদেশের অগ্রণী টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করার পর দেশব্যাপী সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে গ্রামীণফোন যার মাধ্যমে দেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ সেবা গ্রহণ করতে পারে। ব্র্যান্ড প্রতিজ্ঞা ‘‘চলো বহুদূর’’ এর আওতায় গ্রামীণফোন, গ্রাহকদের জন্য সর্বোত্তম মোবাইল ডাটা, ভয়েস সেবা এবং সবার জন্য ইন্টারনেট প্রদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। গ্রামীণফোন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত।

Bellow Post-Green View