চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

৯৪ করলেই সিরিজ বাংলাদেশের

ইনিংস শুরু করেছিলেন উইকেট মেডেনে। দ্বিতীয় স্পেলে এসে নির্ধারিত ৪ ওভার শেষ করলেন জোড়া উইকেট মেডেনে। হ্যাটট্রিকটা হয়নি। তবে নাসুম আহমেদ কাজের কাজটা করে দিয়ে যান। যার শেষটা টেনেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ৯৪ রানের বেশি লক্ষ্য দিতে পারেনি নিউজিল্যান্ড।

বুধবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে চতুর্থটিতে টম ল্যাথামের দলের বিপক্ষে টসে হেরে আগে বোলিংয়ের আমন্ত্রণ পান মাহমুদউল্লাহরা। এসে ১৯.৩ ওভারে সবকটি উইকেট তুলে নিয়ে ৯৩ রানে অলআউট করে দিয়েছেন সফরকারীদের।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

অতি-আক্রমণাত্মক হওয়ার মাশুল শুরুতেই দিয়ে যান ফিন অ্যালেন। এক ছয়ে ৮ বলে ১২ করার পর তাকে সাইফউদ্দিনের তালুবন্দি করেন নাসুম। আগেই আরেক ওপেনার রাচিন রবীন্দ্রকেও ফিরিয়েছেন তিনি। ৫ বল খেলা রবীন্দ্রকে রানের খাতাই খুলতে দেননি, বানান সাইফউদ্দিনের ক্যাচ।

শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টাইগার স্পিনারের জোড়া ধাক্কার পর বাকিরা মিলে লাগাম টেনে দেন কিউইদের রান চাকায়। যেইনা রানের চাকা ঘোরার মতো জুটি এনেছেন টম ল্যাথাম ও উইল ইয়াং, আঘাত হানেন মেহেদী।

এক চরে ২৬ বলে ২১ করা অধিনায়ক ল্যাথামকে দারুণ এক টার্নে সোহানের সহযোগিতায় স্টাম্পিং করে ফেরত পাঠান সাজঘরে।

বিজ্ঞাপন

সেখান থেকে ফের জোড়া হানায় কিউই মিডল এলোমেলো করে দেন নাসুম। ১২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে হেনরি নিকোলকে (১) বোল্ড করে দেন। পরের বলে রানের খাতা খোলার আগেই ডি গ্র্যান্ডহোমকে উইকেটের পেছনে সোহানের ক্যাচ বানান।

৪ ওভারে ২ মেডেনে ১০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নিজের কাজটা শেষ করেন নাসুম। সেখানে দায়িত্ব বুঝে নেন মোস্তাফিজ। ৩.৩ ওভারে ১২ রানে ৪ উইকেট তার।

টম ব্লান্ডেলকে (৪) নাঈমের ক্যাচ বানিয়ে শুরু ফিজের। কোল ম্যাককোনিকে (০) দর্শনীয় এক ফিরতি ক্যাচে ফেরান। কাটা হয়ে থাকা উইল ইয়াংকে বানিয়েছেন মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ। ৫ চার এক ছয়ে ৪৮ বলে ৪৬ করে যান ইয়াং।

কিউই ইনিংসের শেষটাও টানেন ফিজ। ব্লেইর টিকনেরকে মেহেদীর তালুবন্দি করে। মাঝে এজাজ প্যাটেলকে বোল্ড করে দেন সাউফউদ্দিন। ৩ ওভারে ১৬ রানে ওই এক উইকেট তার।

সাকিব উইকেটশূন্য টানা দ্বিতীয় ম্যাচের মতো, ৪ ওভারে ২৫ রানে। মেহেদী সমান ওভারে দেন ২১ রান, উইকেট ১টি।

গত বুধবার নিউজিল্যান্ডকে ৬০ রানে গুঁড়িয়ে ৭ উইকেটের জয়ে সিরিজে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। শুক্রবার ৪ রানে জিতে করে ২-০। তৃতীয় ম্যাচে জিতে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। চতুর্থ ম্যাচে জিতলে এক টি-টুয়েন্টি হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যাবে বাংলাদেশের।