চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

হজযাত্রীদের বিড়ম্বনা কমাতে দরকার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা

চলতি বছরের হজ কার্যক্রম ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়ে গেছে। গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে হজ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। বাংলাদেশ থেকে হজের প্রথম ফ্লাইট যাবে শনিবার। ৪শ’ ১৯ জন যাত্রী নিয়ে বিমানের প্রথম ফ্লাইট শনিবার সকালে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দা রওনা হবে।

প্রতি বছর হজের মৌসুমে সাধারণ হজযাত্রীদের নানা ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হওয়ার খবর গণমাধ্যমে দেখা যায়। বিশেষ করে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যারা হজে যান তাদের অনেকেই প্রতারণার শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি কেউ কেউ এসব হজ এজেন্সির স্বেচ্ছাচারিতার কারণে হজে যেতে পারেন না। আবার কেউ কেউ হজে যেতে পারলেও চুক্তি অনুযায়ী সুযোগ সুবিধা পান না বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরও কঠোর হবেন বলে আমরা আশা করি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদনে জানা যায়, এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১শ’ ২৮ জনের হজে যাওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি বেসরকারি মিলে এখন পর্যন্ত ৩১ হাজার ১৯ জনের হজ ভিসা হয়েছে। ঢাকার সৌদি দূতাবাসে ভিসার জন্য পাসপোর্ট জমা আছে ৫০ হাজারের মতো। কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া সব পক্ষের সহযোগিতায় সাধারণ হজযাত্রীরা ভিসা পাবেন বলেই আমরা বিশ্বাস করি।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ মুসলমানের জীবনে স্বপ্ন থাকে একবার হলেও হজ পালন করার। অনেকেই চাকরি শেষে পেনশনের অথবা জীবনে তিল তিল করে জমিয়ে রাখা অর্থ দিয়ে হজে যাওয়ার যাবতীয় প্রস্তুতি নেন। এমতাবস্থায় শেষ মুহূর্তে হজ এজেন্সির গাফিলতিতে ভিসা না হলে যাত্রীদের মানসিক অবস্থা কেমন হয় তা সহজেই বোঝা যায়।

ইহকালের সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে স্রষ্টার সান্নিধ্য পাওয়ার আশায় থাকা হজযাত্রীদের সঙ্গে যাতে এমন প্রতারণা কেউ এ বছর করতে না পারে সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে মক্কা, মদীনায় তারা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয়। এমনকি ফিরতি ফ্লাইটে বাংলাদেশে আসা পর্যন্ত তাদের যাবতীয় বিষয় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে আন্তরিকতার সঙ্গে সামাল দিতে হবে। এছাড়া হজযাত্রীসহ সবাই যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে সুষ্ঠুভাবে হজ কার্যক্রম সমাপ্ত করা সম্ভব হবে বলে আমরা মনে করি।

Bellow Post-Green View