চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সিলেটকে পথের কাঁটা হতে দেননি মালান-সৌম্য

সিলেট থান্ডারের টুর্নামেন্ট আগেই শেষ। নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল তারা। মাঠে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সকে দিতে বসেছিল ধাক্কা। হারলে সেরা চারের স্বপ্ন অনেকটাই ধূসর হয়ে যেত। সৌম্য সরকার ও ডেভিড মালানের ব্যাটে অবশ্য বিপদ কেটেছে। ৫ উইকেটের জয়ে কোয়ালিফায়ারের আশা ভালোভাবেই বাঁচিয়ে রেখেছে কুমিল্লা।

এই জয়ে ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত টেবিলের পাঁচে থাকল কুমিল্লা। আর ১২ ম্যাচে মাত্র এক জয়ে ২ পয়েন্ট নিয়ে হতাশার ফলে আসর শেষ করল সিলেট।

Reneta June

শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ১৪১ রান তোলে সিলেট থান্ডার। জবাব দিতে নেমে ৫ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখে জয়ে নোঙর ফেলে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।

বিজ্ঞাপন

মাঝারি লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দ্রুত দুই ওপেনারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে কুমিল্লা। উপুল থারাঙ্গা ৪ ও ফারদিন হাসান ১ রানে ফিরে যান। মাহিদুল ইসলাম আঙ্কন ১১ রানে ফিরলে বিপদ আরও বাড়ে।

অধিনায়ক ডেভিড মালান ও সৌম্য সরকার সেখান থেকে ৭২ রানের জুটিতে জয়ের ভিত আনেন। মালান ফেরেন ফিফটি ছুঁয়ে। ২টি করে চার-ছক্কায় ৪৯ বলে ৫৮ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস তার।

ডেভিড ওয়াইস (১৩) পরে সৌম্যের সঙ্গে ২৩ রানের জুটি দিয়ে ফিরলেও বাঁহাতি টাইগার তারকা ম্যাচ শেষ করেই মাঠ ছেড়েছেন। ফেরার সময় নামের পাশে ম্যাচজয়ী ফিফটি। সৌম্যর অপরাজিত ৫৩ রানের ইনিংসটি ২ ছয় ও ৬ চারে ৩০ বলে সাজানো।

আগে, রান পেয়েছেন সিলেটের প্রায় সবাই। আউট হওয়া পাঁচজন দুইঅঙ্কের ঘর ছুঁয়েছেন। কিন্তু ইনিংস বড় করা বা ঝড় তোলার কাজটা করতে পারেননি কেউই। নেই কোনো ফিফটিও।

সর্বোচ্চ ৪৫ রান এসেছে ওপেনার আব্দুল মাজিদের থেকে, ২ চার ও এক ছক্কায় ৪০ বলের ইনিংস তার।

বাকিদের মধ্যে অধিনায়ক আন্দ্রে ফ্লেচার ২২, জনসন চার্লস ২৬, মোহাম্মদ মিঠুন ১৮, জীবন মেন্ডিস ২৩ রান করে দিয়েছেন।

কুমিল্লার হয়ে আল-আমি হোসেন ও ডেভিড ওয়াইস ২টি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট গেছে মুজিব-উর রহমানের ঝুলিতে।