চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সিনহা হত্যা মামলা: প্রদীপ ও লিয়াকতের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু

মেজর (অব.) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যা মামলার আসামি টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দ দুলালকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি।

সোমবার বেলা ১১টা থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরা করা হয়। কারাফটকে এনে জেল কোড অনুযায়ী হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিতের বক্তব্য গ্রহণ করে তদন্ত কমিটি।

বিজ্ঞাপন

জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক মোকাম্মেল হোসেন সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বেলা ১১টার দিকে তদন্ত দল কারাগারের ফটকে অবস্থান করে পৃথকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করেন।

বিজ্ঞাপন

এরপর বহিষ্কৃত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া এবং সন্দেহজনক আসামি নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ র‌্যাব হেফাজতে রিমান্ডে থাকায় আইও এর সহয়তায় এ ৭ জন আসামির বক্তব্য নেওয়া হবে।

তাদের সাক্ষ্য নিতে পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, কক্সবাজারের জেল সুপার মোহাম্মদ মোকাম্মেল হোসেন, সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক সিনিয়র পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে তদন্ত কমিটি হতে এ বিষয়ে পত্র দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (যুগ্মসচিব) মো. মিজানুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের বেঁধে দেওয়া সময় আগামী ২৩ আগস্ট রোববারের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেওয়ার টার্গেট নিয়ে তদন্ত কমিটি পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত ৬০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত কমিটিকে দেওয়া গাইডলাইন অনুযায়ী, ঘটনার উৎস, ঘটনার কারণ, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হবে।

গত ২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে গঠন করে দেওয়া তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, লে. কর্নেল মোহাম্মদ সাজ্জাদ, অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ জাকির হোসেন ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহা. শাজাহান আলি।