চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘সাংবাদিক হয়রানি বন্ধে আইসিটি আইন সংশোধনের পরামর্শ দেবো’

সাংবাদিক হয়রানি বন্ধে আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা সংশোধনের জন্য আইন মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

‘তথ্য-প্রযুক্তি, নিউমিডিয়া ও গণমাধ্যম’ শীর্ষক ওই সেমিনারে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধ ও জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই আইন থাকা দরকার। তবে এ আইনের মাধ্যমে যাতে সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার না হন সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্য থেকে সংবাদ তৈরির ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের আরও সচেতন হতে হবে। কারণ মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র হতে পারে, কিন্তু তা সংবাদ হতে পারে না। এ ধরনের প্রবণতা রোধেই আইসিটি আইন করা হয়েছে। এতে সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতা উভয়ই উপকৃত হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে যারা মানুষ হত্যা করে, তারা মানুষ নয়। এরা যেমন সমাজের শত্রু, তেমনি দেশেরও শত্রু। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে নস্যাৎ করতে তারা গভীর ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।

বিএফইউজের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, সাংবাদিকতা একটি আধুনিক পেশা। তাই বলে এটা পোশাক-আশাকে নয়, সম্পূর্ণ বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সাংবাদিক হতে হলে বুদ্ধিমত্তা থাকতে হবে, আর তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হবে। তবেই ভালো সংবাদকর্মী হওয়া সম্ভব। 

সেমিনারে মূল প্রবন্ধে সাংবাদিক অজিত কুমার সরকার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়ায় প্রচলিত ধারার অনেক কিছুই বদলে গেছে। এর প্রভাবে গণমাধ্যমেও বিবর্তন ঘটছে। আগামীতে তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়ায় গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা আরও বিকশিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Bellow Post-Green View