চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শনিবার বিকেলে চ্যানেল আইয়ে ‘#মি টু’

ঈদুল আযহার অনুষ্ঠানমালায় ঈদের ৬ষ্ঠ দিন চ্যানেল আইয়ে প্রচার হবে নারীর রুখে দাঁড়ানোর গল্প নিয়ে নির্মিত নাটক ‘#মি টু’

সমাজে সব বয়সী নারীরা প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। শিক্ষাক্ষেত্র থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র পর্যন্ত সবখানে অনিরাপদ নারী। কোনো না কোনোভাবে মন্দ পুরুষের লালসার শিকার হচ্ছেন।

এ নিয়ে কিছুদিন আগে উত্তাল হয়েছিল হলিউড-বলিউড। যৌন নির্যাতন বিরোধী যে আন্দোলনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশট্যাগে ‘মিটু মুভমেন্ট’ নামে ছড়িয়ে গিয়েছিলে বিশ্বব্যাপী। দাপুটে নির্মাতা, প্রযোজক ও অভিনেতার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আঙুল তুলেছিলেন বহু অভিনেত্রী। যার আঁচ কিছুটা হলেও লেগেছিলো বাংলাদেশে। আর সেই মুভমেন্ট নিয়েই চ্যানেল আইয়ের ঈদ আয়োজনের ৬ষ্ঠ দিনে থাকছে টেলিছবি ‘#মি টু’।

বিজ্ঞাপন

চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগ জানিয়েছে, ঈদের বিশেষ টেলিফিল্ম ‘#মি টু’ ঈদের ৬ষ্ঠ দিন (শনিবার) বিকাল সাড়ে চারটায় চ্যানেল আইয়ের পর্দায় দেখানো হবে।

বিজ্ঞাপন

১৯৫২ এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে এ টেলিফিল্মটি নির্মাণ করেছেন সাজ্জাদ সুমন। নাটকটি লিখেছেন মেজবাহ উদ্দিন সুমন। নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। এছাড়া বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শহিদুজ্জামান সেলিম, লুৎফুর রহমান জর্জ, সুজাত শিমুল প্রমুখ।

নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে চলমান যে প্রতিবাদ, তা নিয়েই এই টেলিছবি। যা দেখে অন্তত কোনো মেয়ে যেন তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া হয়রানির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পারে, বিচারের জন্য আওয়াজ তুলতে পারে ঠিক এ কারণেই ‘#মি টু’ নাটকে কাজ করেছেন বলে জানান অভিনেত্রী তিশা।

নির্মাতা সাজ্জাদ সুমন জানালেন, সমাজে নারীরা বিভিন্নভাবে হ্যারেজমেন্টের শিকার হচ্ছেন। পত্রিকার পাতা খুললেই ধর্ষণ, হয়রানির খবর পাই। এসব থেকে বাঁচতে স্ব স্ব ক্ষেত্রে নারীদের রুখে দাঁড়ানোর গল্পই হচ্ছে ‘#মি টু’।

সমাজে নারীদের সচেতন করতে এ ধরণের কাজের বিকল্প নেই বলে মনে করেন ‘কলুর বলদ’-খ্যাত এই নির্মাতা। তিনি বলেন, কাজটি আমার অনেক যত্নের।