চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রেমিট্যান্সে প্রণোদনা আরও ১ শতাংশ বাড়ছে

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে আরও ১ শতাংশ বাড়তি প্রণোদনা দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এই ১ শতাংশ বাড়তি প্রণোদনা দেয়া হবে ছোট অঙ্কের রেমিট্যান্সে।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এতে বলা হয়, প্রবাসীদের হুন্ডির পথ থেকে নিরুৎসাহিত করে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানো বাড়াতে এর ফি কমানো প্রয়োজন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৩০০-এর বেশি এক্সচেঞ্জ হাউজ থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকের রেমিট্যান্স আসে। তবে একেক দেশের এক্সচেঞ্জ হাউজ একেক হারে ফি বা চার্জ নিয়ে থাকে। এটি সমন্বয় করা কঠিন।

এ কারণে প্রতি মাসে ৫০০ ডলার কিংবা এর চেয়ে কম রেমিট্যান্স পাঠানো প্রবাসীদের চলমান ২ শতাংশ প্রণোদনার পাশাপাশি অতিরিক্ত আরও ১ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া যেতে পারে।

রেমিট্যান্সে ৩ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল প্রবাসী শ্রমিকরাও।

বিজ্ঞাপন

গত ৫ জুন রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে করে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে রেমিট্যান্সের ওপর প্রণোদনার হার ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছিল সেন্টার ফর নন রেসিডেন্ট বাংলাদেশি-এনআরবি।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে প্রবাসীদের পেনশন স্কিম চালুর বিষয়ে একটি ধারণাপত্র তৈরি করা হয়েছে। যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠানো হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতামত চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেমিট্যান্সে প্রণোদনা বাড়ানোর এই প্রস্তাবটি পাঠায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে। বর্তমানে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। যা সব রেমিট্যান্স প্রেরণকারীর স্বজনেরা পাচ্ছেন। কিন্তু যারা বিদেশে ছোট ছোট চাকরি করেন তারা যেন আরও বেশি সুবিধা পান সেজন্যই এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, যারা বেশি রেমিট্যান্স পাঠান তাদের জন্য ২ শতাংশ অনেক। কিন্তু যারা মাসে মাত্র ৫০০ ডলার বা তার চেয়ে কম পাঠান তাদের জন্য ২ শতাংশ খুব বেশি নয়। তাই ৩ শতাংশ প্রণোদনা না দিলে পাঠানোর খরচ বাঁচানোর জন্য তারা অবৈধপথে অর্থ পাঠানোর ঝুঁকি নেন।

গত ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ প্রণোদনা দিয়ে আসছে সরকার। এর ফলে করোনা মহামারীর মধ্যেও রেমিট্যান্সে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।