চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রুটদের দাঁড়াতে না দিয়ে এগিয়ে গেলেন কোহলিরা

প্রথম ইনিংসে টেনেটুনে দুইশর কাছে যেয়ে ডোবাতে বসেছিলেন ব্যাটসম্যানরা। দ্বিতীয় ইনিংসে তারাই সাড়ে চারশো পেরিয়ে গড়ে দিলেন জয়ের ভিত। সেই মঞ্চে বোলারদের যতটুকু করার ছিল, ইংল্যান্ডকে দুইশর পরপর অলআউট করে ভারতকে দারুণ এক জয়ই এনে দিয়েছেন উমেশ-বুমরাহরা।

ওভালে চতুর্থ ম্যাচে ১৫৭ রানের জয়ে পাঁচ টেস্টের সিরিজে ২-১এ এগিয়ে গেলেন বিরাট কোহলিরা। প্রথম টেস্টে ভারত এগিয়ে থেকেও হতাশায় পোড়ে বৃষ্টির কারণে, ম্যাচ হয় ড্র। সেই টেস্টে বেঁচে যাওয়া ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে বসে ১৫১ রানে।

জো রুটের নেতৃত্বে স্বাগতিকরা তৃতীয় ম্যাচে জয় তোলে ইনিংস ও ৭৬ রানের ব্যবধানে, আসে সমতা। সফরকারীরা চতুর্থ ম্যাচে জিতে আবারও লিড নিলো। সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ ম্যাচ ম্যানচেস্টারে, শুরু ১০ সেপ্টেম্বর।

প্রথম ইনিংসে অলআউট হওয়ার আগে ১৯১ রান তুলতে পেরেছিল ভারত। নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৯০ তুলে লিড নেয় ইংল্যান্ড। লিড মোটামুটি বড়োই, ৯৯ রানের।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় ইনিংসে রোহিত শর্মা ১২৭, লোকেশ রাহুল ৪৬, বিরাট কোহলি ৪৪, রিশভ পান্ট ৫০ ও শার্দূল ঠাকুরের ৬০ রানে সংগ্রহ ৪৬৬তে নিয়ে থামে সফরকারীরা। তাতে জয়ের জন্য ৩৬৮ রানের লক্ষ্য পায় স্বাগতিকরা, মেলে পাঁচ সেশনে রানতাড়ার সুযোগ।

চতুর্থ দিনে শেষ সেশনে ফিফটি পেরোনো অবিচ্ছিন্ন জুটি এনেছিলেন ইংলিশ ওপেনাররা। শেষদিনের সকালেও ছিল লড়াইয়ের আভাস। দ্বিতীয় সেশনে সব গড়বড় হয়ে যায়। ৩ উইকেটে ১৪১ থেকে ছয় রানের মধ্যে ৬ উইকেটে ১৪৭ হয়ে যায় রুটের দল। পরে আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি।

ররি বার্নস ৫০ ও হাসিব হামিদ ৬৩ রানে ঠিক শতরানের ওপেনিং জুটি দিয়েছিলেন। তারপর শুধু ব্যর্থতার গল্প। মালান ৫, রুট ৩৬, পোপ ২, মঈন ও বেয়ারস্টো রানের খাতাই খুলতে পারেননি। ওকস ১৮, ওভারটন ১০ রানে ফিরে যান।

ভারতের বোলাররা উইকেট ভাগাভাগি করেছেন। ৩ উইকেট উমেশ যাদবের। ২টি করে উইকেট জাসপ্রিত বুমরাহ, শার্দূল ঠাকুর ও রবীন্দ্র জাদেজার।

বিজ্ঞাপন