চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রিয়ালে সুখ খুঁজছেন রোনালদো!

২০১৮ সালে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে পাড়ি জমানোর পর সাবেক ক্লাবের সঙ্গে যোগাযোগ ছেড়েই দিয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাকে টপকে লুকা মদ্রিচের ব্যালন ডি’অর জয়ের পেছনে রিয়ালের ষড়যন্ত্র খুঁজেছিলেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ও তার বোন, যেটা তার সাবেক সতীর্থরা ভালো চোখে দেখেননি। কেবল মার্সেলো বাদে রোনালদোর সঙ্গে বাদবাকি রিয়াল সতীর্থরাও খুব একটা যোগাযোগ রাখতেন না।

তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে রোনালদো-রিয়াল ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লেগেছে বলে জানাচ্ছে স্প্যানিশ গণমাধ্যমগুলো। সেই সম্পর্ক ধরে পর্তুগিজ তারকা রিয়ালে নতুন করে প্রবেশের পথ খুঁজছেন বলে খবর মার্কার।

বিজ্ঞাপন

সাবেক ক্লাবের সঙ্গে সিআর সেভেনের সম্পর্ক জোড়া লাগে গত মার্চে, এল ক্ল্যাসিকোর পর। বার্নাব্যুতে বার্সেলোনাকে হারানোর পর নিজ থেকে রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজকে ফোন দেন রোনালদো, জানান রিয়াল সঠিক পথেই আছে।

বিজ্ঞাপন

এরপরে ইটালিয়ান গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, উচ্চ পারিশ্রমিক এড়াতে আগামী মৌসুমে রোনালদোকে বিক্রি করে দিতে পারে জুভেন্টাস। সেই সূত্র ধরে ৩৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড কোথায় কোথায় যেতে পারেন সেই তালিকায় যেমন তার সাবেক ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নাম আছে, তেমনি শোনা যাচ্ছে রিয়ালের নামও। মাদ্রিদে ফেরার জন্য ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগাতে চাইছেন সিআর সেভেন, এমনটাই এখন গুঞ্জন।

তবে ইটালি ছাড়তে একটু কষ্টই হবে রোনালদোর জন্য কারণ এখানকার মত কর ব্যবস্থা স্পেন-ইংল্যান্ডে পাওয়া বেশ কঠিন। খেলোয়াড়ের বেতন যত বেশিই হোক না কেন ইটালির নিয়ম অনুযায়ী ১ লাখ ইউরোর বেশি কর গুণতে হয় না কাউকে। অন্যদিকে স্পেন-ইটালিতে মূল বেতনের প্রায় সমপরিমাণ অর্থ গুণতে হয় খেলোয়াড়দের যেকারণে অনেকেই ইটালিতে এসে খুঁটি গেড়ে বসে থাকেন।

তবে যাই হোক, রোনালদো রিয়ালে ফিরতে পারলে নাকি খুশিই হবেন। অবশ্য রিয়াল সেটা চাইছে না। প্রথমত, এই মুহূর্তে রোনালদোর পেছনে কাড়ি কাড়ি অর্থ ঢালার ইচ্ছে নেই তাদের, দ্বিতীয়ত ক্লাবটি মনে করে যে চলে গেছে তাকে ফিরিয়ে আনাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। যদিও তাদের এই ভাবনা যে ঠিক নয় সেটা জিনেদিন জিদান প্রমাণ করে দিয়েছেন, দ্বিতীয় মেয়াদে কোচ হয়ে এসেই নড়বড়ে অবস্থানে থেকে রিয়ালকে জিতিয়েছেন লা লিগা শিরোপা। রোনালদো হয়তো সেই আশাতেই ফিরতে চাইছেন বার্নাব্যুতে।