চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রাবিতে বিভাগ সভাপতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যায়ের (রাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ফল বিপর্যয়ের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাথীরা। মঙ্গলবার ২২ ডিসেম্বর সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা চত্বরে তারা এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিভাগ সভাপতির বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন, পক্ষাপাতিত্ব, দায়িত্বে অবহেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি লঙ্ঘন ও মাস্টার্স পরীক্ষার ফলাফলে নজিরবিহীন বিপর্যয়ের অভিযোগ করেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, বি.এস.এস (সম্মান) ২০১৮ পরীক্ষায় ২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১জন ৩.৫০ বা তার বেশি সিজিপিএ অর্জন করেন। কিন্তু এম.এস.এস-২০১৯ পরীক্ষায় তারা সকলেই ৩.৫০ এর কম সিজিপিএ পায়। তবে এ পরীক্ষায় সভাপতির ঘনিষ্ঠ তিন শিক্ষার্থী ৩.৫০ বা তার বেশি সিজিপিএ অর্জন করে বলে অভিযোগ করে তারা।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের প্রতিটি কোর্সে ২০% নম্বরের দুইটি করে ইনকোর্স পরীক্ষা নেয়ার বিধান থাকলেও তাদের চারটি কোর্সে কোন ইনকোর্স পরীক্ষা হয়নি। যা সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিধি লঙ্ঘন। এছাড়াও বিভাগের নিয়মিত ও খণ্ডকালীন শিক্ষক থাকা সত্বেও সভাপতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে পরীক্ষা কমিটির সদস্য হিসেবে রাখেন।

সামজিক বিজ্ঞান অনুষদের অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী একজন শিক্ষক দুইটির বেশি কোর্স পরীক্ষণ করতে পারবেন না, তাতে পক্ষপাতিত্বেও সুযোগ থাকে। কিন্তু সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী একাই থিসিস গ্রুপের ৩টি এবং নন-থিসিস গ্রুপের ৫টি কোর্স পরীক্ষণ করেছেন। আর সেই কোর্সগুলোতেই বিপর্যয় বেশি ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে এবিষয়ে সাক্ষাৎ করে অভিযোগ জানালাও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি। এখানেও উপাচার্য নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা।