চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রাজনৈতিক কারণে বৈশাখী বেচাকেনায় মন্দা

বছরের প্রথম তিন মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এবারের বৈশাখে কিছুটা মন্দাভাব দেখেছে দেশের ফ্যাশন শিল্প। তারপরও দেশী ফ্যাশন শিল্পে পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে ১৫শ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছে বলে শিল্প উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন।

ফ্যাশন এন্ট্রাপ্রেনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আজহারুল হক আজাদ চ্যনেল আই অনলাইনকে বলেছেন, তিন মাসের মন্দা কাটিয়ে বৈশাখি কেনাবেচা যখন অনেকটাই জমে উঠেছিলো ঠিক তখনই আবার পর পর দু’ দিনের হরতালে উদ্যোক্তারা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ‘বৈশাখের কেনাবেচা সাধারণত: শেষ কয়েকদিন  হয়। এপ্রিল মাসে দু্ আর এক, মোট তিন দিন হরতাল না হলে উদ্যোক্তারা নিজেদের মধ্যে যে লক্ষ্য ঠিক করেছিলেন সেটা অনেকটাই পূরণ হতো।’

৫ জানুয়ারি থেকে প্রথমে অবরোধ এবং পরে টানা হরতালে অন্য শিল্পের মতো স্থানীয় ফ্যাশন শিল্পও ক্ষতির মুখে পড়ে। তবে ২৪ মার্চ থেকে আর হরতাল না থাকায় অনেকে পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে ক্ষতি পুষিয়ে লাভের স্বপ্ন দেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত আগের ক্ষতি পোষানো যায় নি। তবে নববর্ষ বাণিজ্যে খুব একটা হতাশও হতে হয়নি তাদের।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, ফ্যাশন শিল্পে পহেলা বৈশাখে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য হয়েছে গত বছর। তার আগের বছর (২০১৩) রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে বেচাকেনা কম হলেও ২০১৪ সালে পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে বিক্রিতে ২০ ভাগ প্রবৃদ্ধি হয়ে ১৫শ কোটি টাকার মতো বিক্রি হয়।

Advertisement

এবারও শেষ পর্যন্ত বিক্রি অনেকটা গত বছরের মতোই ছিলো বলে জানিয়েছেন আজহারুল হক আজাদ।

ফ্যাশন শিল্প উদ্যোক্তাদের সংগঠনের সভাপতি বলেন: আগের তিন মাসের অভিজ্ঞতায় ব্যবসায়ীরা তাদের লক্ষ্যই কম ঠিক করে রেখেছিলেন। তাই প্রবৃদ্ধি না হওয়ায় তাদের মানসিক অশান্তিতে পড়তে হয়নি।’

সাধারণত: যে কোনো উপলক্ষকে কেন্দ্র করে বিক্রি আগের বছরের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ ভাগ বাড়লে ব্যবসায়ীরা সন্তুষ্ট থাকেন। এখন তাদের আশা, রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকলে আগামী ঈদে তারা প্রবৃদ্ধি দেখবেন।

বাংলাদেশে ফ্যাশন শিল্পে সাধারণত: অর্ধক র্বিক্রি হয় রোজার ঈদে। মধ্যবিত্তের বিকাশের সঙ্গে এখন ২৫ ভাগ বিক্রি হয় পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে।