চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

যেকোনো সময় বন্ধ হবে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান ভ্যাকসিন কার্যক্রমের দ্বিতীয় ডোজ ভ্যাকসিন প্রয়োগ যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আজ রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম ভার্চ্যুয়াল বিফ্রিংয়ে এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন

অধিদপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন সরকার আপাতত বন্ধ করেছে। সরকারের হাতে যে ভ্যাকসিন আছে, তাতে বড়জোর এক সপ্তাহ চলবে, এর মধ্যে ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা না হলে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দেশে যত মানুষকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে, তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার মতো মজুদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাতে নেই। এখন ১৪ লাখ ভ্যাকসিন সংকট রয়েছে। এরই মধ্যে রাজধানীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে টিকাদান বন্ধ রয়েছে। বিএসএমএমইউতে কাল থেকে বন্ধ হয়ে যাবে।’

নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে টিকার দ্বিতীয় ডোজের মজুদ শেষ হয়ে গেলে ভ্যাকসিন দেওয়া বন্ধ রাখা হবে। কোনো হাসপাতালে যদি আজ ভ্যাকসিনের মজুদ শেষ হয়ে যায়, তাহলে আপাতত সেই হাসপাতালের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ থাকবে। আর আগামীকাল থেকে ওই হাসপাতালে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সম্ভব হবে না। আমাদের হাতে যে পরিমাণ ভ্যাকসিন আছে এটা দিয়ে হয়তো আরও এক সপ্তাহ চলবে। ভ্যাকসিনের মজুদ শেষ হলে এই টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা নতুন করে ভ্যাকসিন পাই।’

ভাকসিন সংগ্রহে সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে জানিয়ে অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘রাশিয়ার ভ্যাকসিন পেতে সেদেশের সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে, বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয়ে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। চীন থেকে ভ্যাকসিন আনার বিষয়ে আমরা আলাপ-আলোচনা করছি। আশা করছি, চলতি মাসের শেষের দিকে অথবা সামনের মাসের প্রথমদিকে এ বিষয়ে আপনাদের আরও বিস্তারিত বলতে পারব।’

বিজ্ঞাপন