চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মীরা নায়ারের ‘অ্যা সুইটেবল বয়’ কেন আলোচনায়?

মীরা নায়ারের ছয় পর্বের সিরিজ ‘অ্যা সুইটেবল বয়’। বিক্রম শেঠের ‘অ্যা সুইটেবল বয়’ উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছে সিরিজটি। বিবিসি নির্মিত নেটফ্লিক্সের এই সিরিজটি খুব অল্প সময়ে সাড়া ফেলেছে।

‘অ্যা সুইটেবল বয়’-এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন টাবু, ঈশান খাট্টার ও তানিয়া মানিকতলা। সিরিজটিতে ৪৮ বছর বয়সী টাবুর প্রেমিকের চরিত্রে পাওয়া যাবে ২৪ বছরের ঈশানকে। জেনে নিন কেন এত জনপ্রিয়তা পেল এই সিরিজটি:

মন ও ফিরোজের সমকামিতা: সিরিজের প্রথম ১০ মিনিটে দেখানো হয় মন (ঈশান খাট্টার) ও ফিরোজ (শুভম সারাফ) এর ভিন্ন রকমের বন্ধুত্ব। সমলিঙ্গের দুজনের একে অপরের প্রতি আকর্ষণ বোধের বিষয়টি দেখানো হয়েছে এই অংশে। সিরিজের শুরুতেই সমকামী প্রেম দেখিয়ে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন মীরা নায়ার, এমনটাই মনে করছেন দর্শক-সমালোচকরা। মন ও ফিরোজের এই বন্ধুত্ব শুরুতে দর্শকদের চমকে দিলেও পরে অন্যদিকে মোড় নেয়।

বিজ্ঞাপন

লতা ও কবিরের সম্পর্ক: সম্পর্কের বেলায় লতাকে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখানো হয়েছে। কবিরকে চুমু দেয়ার ক্ষেত্রেও সাবলীল লতা চরিত্রটি। কবিরকে বিয়ে না করার সিদ্ধান্তেও সাহসী ছিলেন লতা। লতা চরিত্রে স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় দিয়ে দর্শক আর সমালোচক দুই পক্ষেরই মন জিতে নিয়েছেন তানিয়া মানিকতলা।

রুধিয়াতে মন এর জনপ্রিয়তা: একটা ঘটনার পরে হঠাৎ করেই রুধিয়াতে মন এর জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। পরে তিনি ব্রহ্মপুরে ফিরে গেলেও থেকে যান রুধিয়ার মানুষের মনে।

মীনাক্ষীর গর্ভধারণ: এই সিরিজে মীনাক্ষীকে (শাহানা গোস্বামী) বেশ আবেদনময় চরিত্রে দেখানো হয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে যাওয়ায় হঠাৎ করে মোর ঘুরে যায় তার জীবনের।

কবির, অমিত ও হারেসের দেখা হওয়া: কবির, অমিত ও হারেস এর দেখা হয় এক ক্রিকেট ম্যাচে। তাদের আলাপচারিতা হয়। কিন্তু কেউই বুঝতে পারেন না যে তারা তিনজনই একই নারীর (লতা) প্রেমে পড়েছে।