চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মার্টিনেজকে কিনতে কৌতিনহো-গ্রিজম্যান-ডেম্বেলেকে বেচবে বার্সা

নতুন স্ট্রাইকার কেনার মতো অর্থ নেই বার্সেলোনার। অন্যদিকে ইতালিয়ান ক্লাব ইন্টার মিলানে খেলা স্বদেশী স্ট্রাইকার লৌতারো মার্টিনেজকে চেয়ে বসে আছেন ক্লাবের আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে তাই নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বার্সা। প্রয়োজনে ফিলিপে কৌতিনহো, অ্যান্টনে গ্রিজম্যান ও উসমানে ডেম্বেলেকে বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত কাতালান জায়ান্টদের, সূত্রের বরাতে এমন জানিয়েছে ইএসপিএন এফসি।

খেলোয়াড় বিক্রি করে যেভাবেই হোক জুনের মধ্যে ৭০ মিলিয়ন ইউরো ব্যাংকে ঢোকাতে হবে বার্সাকে। যেসব খেলোয়াড়কে দিয়ে লক্ষ্য পূরণ হয়নি, সেরকম কয়েকজনকে বিক্রি করে অর্থ ঘাটতি পূরণ করতে চাইছে ক্লাবটি।

বিজ্ঞাপন

ফরোয়ার্ডদের পাশাপাশি আর্থার মেলো, ইভান রাকিটিচ, আর্তুরো ভিদালের মতো মিডফিল্ডারদের নিয়েও দেনদরবার করছে বার্সা। যদিও এ তিনজনের প্রত্যেকেই জানিয়েছেন তারা ন্যু ক্যাম্পে সুখেই আছেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ডিফেন্ডাররাও আছেন তালিকায়। জুনিয়র ফিরপো, স্যামুয়েল উমতিতি ও নেলসন সেমেদোও’র নাম প্রস্তাব করেছে বার্সা, যেখানে শেষ জনের প্রতি আগ্রহ আছে ইন্টারের। তবে কোনকিছুই এখনো নিশ্চিত নয়।

বার্সার আশা ছিল ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে প্রথমবারের মতো ১ বিলিয়ন ইউরো আয় হবে তাদের। সেখান থেকে ১২৪ মিলিয়ন ইউরো দলবদলের জন্য বরাদ্দ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত বাজেটের চেয়ে দলবদলের খরচ আরও বেশি হবে বলেই জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।

এদিকে খেলোয়াড় বিক্রি করেও খুব একটা আয় নেই ক্লাবের। গত আগস্টে জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গের কাছে ম্যালকমকে ৪০ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রির আয়ই তাদের ওই বছরের সেরা আয়। এছাড়া অল্প অল্প দামে কার্লেস পেরেজ, আবেল রুইজ ও আলেহান্দ্রো মারকুইসকে বিক্রি করেছে বার্সা। ফিলিপে কৌতিনহো ও জন-ক্লেয়ার তাদিবোকে ধারে খেলতে পাঠিয়েও আয় হয়েছে কিছু।

প্রত্যাশিত ১ বিলিয়ন ইউরো যে আয় হবে সেটাও কিন্তু নয়। বার্সার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জর্ডি কার্দোনার জানিয়েছেন, এরইমধ্যে করোনাভাইরাসের কারণে ১২০ থেকে ১৪০ মিলিয়ন ইউরো ক্ষতি হয়ে গেছে ক্লাবের।