চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মাদারীপুরে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমি ‘জবরদখলের চেষ্টা’

প্রভাবশালী মহলের মদদে মাদারীপুরে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালী মুজিবর মাতুব্বরের মদদে এসকান মাতুব্বর এবং রাজ্জাক মাতুব্বরের পরিবার তাদের জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এমনকি নতুন নির্মিত বাড়ি ভেঙে দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। ভুক্তভোগীর বাড়িতে থাকা অবিবাহিত মেয়ের (ইসাহাক মাতুব্বরের বোন) নানাভাবে ক্ষতি করার হুমকি ধামকিও দেওয়া হচ্ছে দখল চেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের পক্ষ থেকে।’

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী ইসহাক মাতুব্বর বলেন: এসকান মাতুব্বর এবং রাজ্জাক মাতুব্বরের পবিবার তাদের পৈত্রিক এবং বাবার ক্রয় সূত্রের আসমত আলী খান সড়ক সংলগ্ন, সদর উপজেলার পাশে মহিষেরচর এলাকায় ৫১ শতাংশ জমি জবর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

একটা সময় এই জমি সংলগ্ন কোন রাস্তা না থাকায় দাদার সূত্রে পাওয়া ২৪ শতাংশ জমি তার বাবা নুর মোহাম্মদকে পতিত এলাকায় দেওয়া হয়। আর বাকী শরিকরা জমি পায় আসনার ক্যাম্প সংলগ্ন মূল সড়কের পাশে। কিন্তু ২০১৬ সালে আসমত আলী খান সড়ক ও সেতু হওয়ার পর তাদের জমির পাশে সড়ক চলে আসে আর এতে নজর পড়ে শরীকদের। তারা নানা অপচেষ্টা চালাতে থাকেন জমি দখলের।

এক পর্যায়ে গত ৪ বছর আগে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এবং গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)বরাবর অভিযোগ দিতে বাধ্যহন ইসাহাক মাতুব্বার। সেবারের মতো অভিযুক্তরা বিরত হলেও নতুন করে জবর দখলের চেষ্টা শুরু করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এসকান মাতুব্বর বলছেন: তার সঙ্গে আমাদের জমি নিয়ে কোন সমস্যা নেই। ওই জমি আমাদের পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া। বিভিন্ন সময় আমরা আপসের মধ্যদিয়ে ভোগদখল করে আসছি। এখন সামাজিকভাবে বসে আমরা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

বিজ্ঞাপন

জমি সংক্রান্ত বিবাদে ইসাহাক মাতুব্বর এবং তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকী দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন এসকান।

২০১৭ সালে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ

ইসাহাকের অভিযোগ প্রভাবশালী মুজিবর মাতুব্ব বিবাদকারী শরীকদের প্রভাবিত করে বিবাদ সৃষ্টি করছেন। তার বক্তব্য, আসমত আলী খান সড়ক সংলগ্ন মূল সড়কের পাশের ৭ শতাংম জমির পাশের জমি রয়েছে মুজিবর মাতুব্বরের। সে চায় জমিটা এসকান-রাজ্জাক মাতুব্বরদের দিয়ে সামাজিক সালিসি ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে কিংবা বলপূর্বক হস্তগত করে পরে অর্থের বিনিময়ে নিজের করে নিতে।

এমন অভিযোগের বিপরীতে মুজিবর মাতুব্বর বলছেন: তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে শরিকদের মাঝে সমস্য আছে। সেটি সামজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভীতি প্রদর্শন করে জমি হস্তগতের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

২৪ শতাংশ জমি উত্তরাধিকার সূত্রে পেলেও শরীকানা অংশ থেকে চাচা গফুর মাতুব্বর-আব্দুর জলিল মাতুব্বর এবং ফুপু রাবিয়া খাতুনের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে আরও ২৭ শতাংশ জমি কেনেন ইসাকাকের বাবা প্রয়া সেনা সদস্য মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ মাতুব্বর।

বিজ্ঞাপন