ভারতীয় বাংলা টেলিভিশনে শিশুতোষ ভুতের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘ভুতু’ শিরোনামের সিরিয়ালে কেন্দ্রীয় ভুমিকায় অভিনয় করছেন পাঁচ বছরের আর্শিয়া মুখোপাধ্যায়। সিরিয়ালটি বাংলাদেশসহ পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছে।
এর আগে আর্শিয়া জনপ্রিয় ‘পটলকুমার গানওয়ালা’ সিরিয়ালে স্বল্প ভুমিকায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
শুটিং সেটে আর্শিয়ার দুষ্টু মুখ দেখে ভুতের কনসেপ্টটা চিত্রনাট্যকার সাহানার মাথায় আসে। এরপর নির্মাতা অনুপম হেরির কাছে শেয়ার করলে ভারতীয় জনপ্রিয় চ্যানেল জি বাংলার জন্য নির্মাণ করেন ‘ভুতু’ সিরিয়ালটি।
শ্রী ভেঙ্কটেশের প্রযোজনায় সিরিয়ালে খুদে আর্শিয়াই এই ধারাবাহিকের প্রাণ। দারুণ এক্সপ্রেশন দেয় ছোট্ট এ মেয়েটি। এতো অল্প বয়সেও অসাধারণ ক্যামেরার জ্ঞান দেখে পুরো শুটিং টিম আর্শ্চয হচ্ছে। তাছাড়া আর্শিয়ার স্ক্রিপ্ট সেন্সও তুখোড় সব মিলিয়ে একেবারে একশোয় একশো দশ বলছেন নির্মাতা অনুপম। 
গল্পটি সাজানো হয়েছে, ‘ভুতু’ মরে গিয়েছে। অনেক ছোটবেলায়। কিন্তু এই সত্যটা ও জানে না। ও ভাবে, ও যখন ঘুমিয়ে ছিলো, তখন বাড়ির সকলে ওকে ফেলে রেখে কোথাও চলে গিয়েছে। আর ফিরে আসেনি। আসলে সকলে ওকে ভুলে গিয়েছে। ভুতু তাই আশায় আশায় থাকে। অপেক্ষা করে। কখন বাবা-মা ফিরে আসবে আর ওকে সঙ্গে নিয়ে যাবে। ইতিমধ্যে ফাঁকা বাড়ির দিকে নজর পড়ে দালালদের। তারা বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা করে। নতুন নতুন ভাড়াটেও আসে। যদিও বেশি দিন টিকতে পারে না কেউও।
কিন্তু কোথায় কী? ও বাড়িতে তো শুধু ভুতু থাকে। পাঁচ বছরের একটা ছোট্ট মেয়ে। নিজের পরিবার হারিয়ে ফেলায় যে ওই বাড়িতে পা রাখা নতুন অতিথিদের মধ্যে থেকেই বাবা-মা-কাকাইকে খোঁজার চেষ্টা করে। তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে। বন্ধুত্ব পাতানোর চেষ্টা করে। সবসময় যে সফল হয়, তা নয়। অর্ধেক ভাড়াটেই তো ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়। শুধু যাদের মন ভালো, যারা সৎ, তারাই ভুতুকে দেখতে পান। ওর সঙ্গে কথা বলেন। এইভাবেই ভুতুর আত্মীয়র সংখ্যা বেড়ে চলে। পরিবার বড় হয়।
ভিন্ন ধারা নতুন এ ধারাবাহিকটি জি বাংলায় প্রচার হচ্ছে।








