চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘ভাস্কর্যবিরোধীরা দেশ ও জাতির শত্রু’

ধর্মের দোহাই দিয়ে একটি বিশেষ শ্রেণি চাইছে না, দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ হোক। সে লক্ষ্যেই শুক্রবার রাতের আঁধারে কুষ্টিয়ায় পাঁচ রাস্তার মোড়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের অংশ বিশেষ ভেঙে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এফডিসির চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সবগুলো সংগঠন।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য  ভাংগার  প্রতিবাদ  জানাতে রোববার সকালে এফডিসির গেটে সংগঠনগুলো মানবন্ধন আহ্বান করে। মানববন্ধনের সংগঠনের নেতারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। তিনি বাংলাদেশের স্থপতি। তার ভাস্কর্য নির্মাণে যারা বিরোধীতা করছে তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তাদের ষড়যন্ত্র রুখে দেয়া প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব।

বিজ্ঞাপন

সকাল সাড়ে ১১ টায় চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির আয়োজনে এ মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, শাহ আলম কিরণ, অপূর্ব রানা, প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু, কামাল কিবরিয়া লিপু, মেহেদি হাসান সিদ্দিকী মনির, চিত্রনায়ক ওমর সানী, চিত্রনায়িকা মৌসুমী, কমল পাটেকার, গায়ক এস ডি রুবেলসহ এফডিসির প্রায় সব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

তবে মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানের নেতৃত্ব থাকা শিল্পী সমিতির কেউ এই প্রতিবাদ ও মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন না।

মানবন্ধন শেষে পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে যারা বিরোধিতা করেছে তাদের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আমরা জানিয়েছি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙে দেয়ার মতো রাষ্ট্রবিরোধী কাজ যারা করেছে তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তাদের কঠিন শাস্তি চাই। ভাস্কর্য ভাঙা মানে বঙ্গবন্ধুকে অপমান করা। চলচ্চিত্রের মানুষরা কিছুতেই এ অপমান মেনে নেব। প্রয়োজনে আগামীতেও প্রতিবাদ জানাতে রাজপথে থাকবো।

প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু বলেন, সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন, একটি চক্র তখনই সবকিছু ধ্বংস করার পায়তারা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ধর্মের দোহাই দিতে একটি চক্র করোনার মধ্যে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইছে, জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। তার বিরুদ্ধে আমরা চলচ্চিত্র কর্মীরা প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছি। যে মাসে আমরা বিজয় পেয়েছি সেই মাসেই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার মতো ঘৃণিত কাজ আর হতে পারে না।