চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভারতের ভ্যাকসিন না এলে টাকা ফেরত পাবো: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ভ্যাকসিন দিতে না পারলে বাংলাদেশকে টাকা ফেরত দিবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

ভ্যাকসিনের জন্য ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটকে দেয়া আগাম টাকা দেয়া হয়েছিল, তারা ভ্যাকসিন দিতে না পারলে টাকা ফেরত দেবে কি-না?

এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে ভ্যাকসিন আসবে না সেটাও তো আমরা জানি না। তাদের সাথে কথাবার্তা বলছি। যখন চূড়ান্তভাবে জানতে পারব যে ভ্যাকসিন আসবে না, তখন চূড়ান্তভাবে এটি নিয়ে কথা বলতে পারব।

বিজ্ঞাপন

কীভাবে টাকা ফেরত পাওয়ার যাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভ্যাকসিন না এলে অবশ্যই টাকা ফেরত পাবো। এভাবে কোনো দেশ কোনো দেশের টাকা মেরে দেয় নাকি? আমরা লিগ্যাল ডকুমেন্টের মাধ্যমে চুক্তি করেছি। এটা তো গোপন কোনো কাজ নয়। কাগজপত্রে লেখালেখি হয়েছে, ডকুমেন্টেশন হয়েছে। সুতরাং কন্ট্রাক্টচুয়্যাল ডিভিশন তাদেরও আছে আমাদেরও আছে। আমরা চেষ্টা করছি ভ্যাকসিন আনার জন্য। অন্যান্য সোর্সেও চেষ্টা করছি ভ্যাকসিনের জন্য।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগেই বলেছি ভ্যাকসিনের জন্য একটা দেশের ওপর নির্ভর করব না। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, দেশের মানুষের জীবন-মরণ নিয়ে প্রশ্ন। সুতরাং এখানে আমরা শুধু একটা দেশের উপর নির্ভরশীল হয়ে বসে থাকলে হবে না। তাই এর পাশাপাশি আরো বিভিন্ন দেশ থেকে যারা ভ্যাকসিন তৈরি করে এবং যারা গ্রহণযোগ্য, যাদের ভ্যাকসিনে কোন আশঙ্কা নেই সেসকল কোম্পানি থেকেও আমরা ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য চেষ্টা করছি।

সেরামের সঙ্গে চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের সুযোগ রাখা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, এটা এই মুহূর্তে বলতে পারব না। আন্তর্জাতিক চুক্তিতে যেসব শর্ত থাকে সব শর্তই এই চুক্তিতে আছে। আমরা এখনই একদম ঘোষণায় চলে যেতে চাই না যে তাদের সঙ্গে যে চুক্তি করেছিলাম সেই ভ্যাকসিন আসবে না, এমনটি আমরা বলিনি। তারাও এখনও বলেনি যে তারা দেবে না।

রাশিয়া ও চীন থেকে ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে, সেই পরিপ্রেক্ষিতে সেরামের কাছ থেকে কবে নাগাদ টাকা ফেরত চাওয়া হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন