চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘বড় বড় শপিংমলে অন্তত ২টি করে সিনেপ্লেক্স রাখা উচিত’

সর্বপ্রথম যে কাজটি করা উচিত তা হল সারা বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের যে প্রেক্ষাগৃহ ছিল তাদের জন্য যে জায়গা বরাদ্দ ছিল তা তাদের দেয়া হয়েছিল প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য। সিনেমা হলের জায়গায় যারা শপিংমল বা অন্য কিছু করে সিনেমার জন্য কোন কিছু রাখেনি তারা বেআইনি কাজ করেছে। নীতিমালা ভঙ্গ করেছে। যারা এসব নীতিমালা ভঙ্গ করেছেন তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত এবং সেই জায়গাগুলোতে আবার চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা উচিত। পাশাপাশি পৃথিবীর বহু দেশে যেটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে তা হল যেখানে শপিংমল হবে সেখানে সিনেপ্লেক্স করতে হবে। সে নিয়ম আমাদের দেশেও হওয়া উচিত। শুধু কেনাকাটা করতে আসবে না, মানুষকে বিনোদন দেয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকা শহরের বাইরেও বড় বড় শপিং মল গড়ে উঠছে সেখানে ঢাকার মত ৬/৮টি না হোক অন্তত ২টি করে সিনেপ্লেক্স রাখা উচিত। চ্যানেল আই অনলাইন প্রতিবেদক হাসান আহমেদ এর কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটি বলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

চলচ্চিত্রের বন্ধ্যা সময় কাটাতে এবং উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন বাংলাদেশে চলচ্চিত্র শিল্পকে নতুন করে ঘুরিয়ে দাঁড় করাবার চেষ্টা সর্বত্র চলছে। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে বহুমুখি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অনুদান দেয়া হচ্ছে। নতুনদের নির্মাণে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এমনকি চলচ্চিত্রের যে প্রেক্ষাগৃহ সেটি নির্মাণেও নানাভাবে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

চলচ্চিত্রের উন্নয়নে নিজের ভাবনা বিনিময় করে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, আমাদেও জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। যারা দর্শক হিসেবে আমাদের চলচ্চিত্রকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে তারা যেন সুন্দর পরিবেশে সিনেমা দেখতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে হবে। যাতে শালীনতা বজায় থাকে ভদ্রতা থাকে সে ধরণের পরিবেশ দিতে হবে। এমন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ জরুরী।

চলচ্চিত্র উৎসবের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চলচ্চিত্র উৎসব যত বেশি হবে, তত মানুষ ছবি দেখতে আসবে। ছবি দেখার ব্যাপারে আগ্রহ তৈরী হবে। ভালো মন্দ ছবির পার্থক্য বোঝার সক্ষমতা তৈরী হবে। যা ভীষণ জরুরী।

তিনি জানান, কেবল ঢাকায় চলচ্চিত্র উৎসবকে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা দেশে তথা সব জেলায় চলচ্চিত্র ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সংস্কৃতি মন্ত্রী সবশেষে বলেন, আমাদের কাজ চলচ্চিত্রকে বিকশিত করতে সহায়তা করা। চলচ্চিত্রে অর্থলগ্নীর মত কোন বাণিজ্যিক ভাবনা চিন্তা নেই।

বিজ্ঞাপন