চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Group

বিশ্ব বদলে দেয়া এই ‘গেরিলা গার্লস’ কারা?

Nagod
Bkash July

মুখে গরিলার মুখোশ, ছদ্ম নামে পরিচয়। তাদের কখনো দেখা গেছে জাদুঘরের সামনে, আবার কখনও কোনো বড় আর্ট ইভেন্ট পণ্ড করতে। কারা এই ‘গেরিলা গার্লস’?

তাদের পরিচয় জানা যায়নি। কারণ তারা কখনই নিজেদের পরিচয় দেননি। কিন্তু এটুকু সবার জানা যে তারা শিল্পী। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তারা লড়াই করছেন শিল্প জগতের বর্ণ ও লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধে।

Sarkas

ফ্রিদা কাহলো এবং ক্যাথ কলভিটস এর নামে নিজেদের পরিচয় দেন তারা। পোস্টার লাগানোর সময় কিংবা আন্দোলনের সময় তারা গরিলার বেশে থাকেন। নিষিদ্ধ সব স্থানে তারা পোস্টার লাগিয়ে আসেন। কখনো দেয়ালে আবার কখনও আর্ট গ্যালারির পাশে। মজার ছলেই মানুষের মাঝে বিবেক বোধ জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেন তারা।

বিভিন্ন আর্ট গ্যালারি সম্পর্কে মজার মন্তব্য করেন তারা। একবার এক গ্যালারির বাইরে টাঙিয়ে দিয়েছিলেন ‘বয় ক্রেজি’, আরেকবার ‘নট পেয়িং অ্যাটেনশন।’

শুরুটা হয়েছিল ১৯৮৫ সালে নিউ ইয়র্কের মিউজিয়াম অব মডার্ন আর্ট-এ। ‘ইন্টারন্যাশনাল সার্ভে অব পেইন্টিং অ্যান্ড স্কাল্পচার’ শিরোনামে একটি এক্সিবিশন চলছিল সেখানে। বলা হয়েছিল তৎকালীন সময়ের সব গুরুত্বপূর্ণ চিত্রকর্ম ও ভাস্কর্য স্থান পেয়েছে সেখানে। কিন্তু আসলে পায়নি।

১৬৯ শিল্পীর মাঝে মাত্র ১৩ জন নারী শিল্পীর চিত্রকর্ম জায়গা পেয়েছিল সেখানে। ছিল না কোনো কৃষ্ণাঙ্গের শিল্পকর্ম। এই বিষয়টি একেবারেই ভালো লাগেনি ‘গেরিলা গার্লস’-এর। তারা নিউ ইয়র্কের পথে পথে পোস্টার লাগিয়ে প্রতিবাদ জানান। জাদুঘরের আসে পাশে আন্দোলন করেন।

তাদের আন্দোলন বৃথা যায়নি। পুরো বিশ্বেই নারী শিল্পীদের কদর বেড়েছে, কমেছে কৃষ্ণাঙ্গের শিল্পীদের প্রতি বৈষম্য। কিন্তু ‘গেরিলা গার্লস’রা মনে করেন, এখনও বহু পথ বাকি। তাই এখনও তারা পোস্টার তৈরি করেন, তাদের বিলবোর্ড-ব্যানার দেখা যায় নিউ ইয়র্ক শহরের আনাচে-কানাচে। -বিবিসি

BSH
Bellow Post-Green View