চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘বিনোদনে ভরপুর কনটেন্ট দেখানোই আমাদের উদ্দেশ্য’

ভিডিও কন্টেন্ট প্রদর্শনের জন্য টেলিভিশনই ছিলো একমাত্র প্লাটফর্ম। সময়ের সাথে সাথে টেলিভিশনের পাশাপাশি যোগ হতে থাকে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মগুলো। করোনাকালের পরিসংখ্যান বলছে, দর্শকের কাছে ওটিটি প্লাটফর্মগুলোর চাহিদা এখন তুঙ্গে!

করোনাকালের মধ্যেই গত জুন মাসে বাংলাদেশে চালু হয় ভিডিও স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম ‘আড্ডাটাইমস’। ওয়েব সিরিজ, চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, গান সবমিলিয়ে প্রায় হাজারেরও বেশি বিনোদনমূলক কনটেন্ট এই প্লাটফর্মে। আর এসব কারণেই খুব কম সময়েই বাংলাদেশের বিরাট সংখ্যক দর্শকের কাছে পৌঁছুতে সক্ষম হয় প্লাটফর্মটি।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের কন্টেন্ট নির্মাণ, এই প্লাটফর্ম নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান ‘আড্ডাটাইমস’ এর এর হেড অব মার্কেটিং নুসরাত জারিন।

বিজ্ঞাপন

জারিন বলেন, বাংলাদেশে ‘আড্ডাটাইমস’ চালুর উদ্দেশ্য হচ্ছে বিনোদনে ভরপুর কনটেন্ট দর্শকদের দেখানো।

বিদেশি প্লাটফর্ম বলে নাক সিঁটকানোর কোনো কারণ নেই বলেও জানান তিনি। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কখনই মনে করি না বিদেশি এ প্লাটফর্ম এদেশে আসায় কোনো ক্ষতি হবে। লিগ্যালি বাংলাদেশি কারেন্সিতে পে, সরকারি ভ্যাট দিচ্ছি। এ প্রক্রিয়ায় যদি গ্লোবাল প্লাটফর্মগুলো আসে তাহলে অবশ্যই অর্থনৈতিকভাবে দেশের জন্য ভালো হবে।

সময়ের চাহিদায় সম্প্রতি ওটিটি প্লাটফর্মের জোয়ার চলছে। ওই প্রসঙ্গ টেনে নুসরাত জারিন বলেন, সব কনটেন্ট হয়তো সবাই পছন্দ করবেন না। সব শ্রেণির দর্শকদের জন্য যেন কনটেন্ট থাকে ‘আড্ডাটাইমস’ সেই চিন্তা নিয়ে কাজ করছে। অক্টোবর মাস থেকে আমরা নতুনভাবে যাত্রা করতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ এবং কলকাতা দুই জায়গায় নতুন কনটেন্ট থাকবে।

তিনি বলেন, দর্শক সবসময় ভালো কনটেন্ট দেখার জন্য তৈরি। কোন মাধ্যমে প্রচার হচ্ছে সেটা বিষয় নয়। বই পড়ি, সিনেমা হলে যাই, টিভিতে ভালো ভালো জিনিস দেখি এসব কিছুই গল্পের কারণে। কারণ সবকিছুর মধ্যে ভালো গল্প থাকে। ওটিটিতেও যদি ভালো গল্প সমৃদ্ধ কনটেন্ট দেয়া যায় মানুষ অবশ্যই দেখবে।

বাংলাদেশি কন্টেন্ট নিয়ে জারিন বলেন, এই প্লাটফর্ম চালুর কয়েক মাসের মধ্যে তিনটি বাংলাদেশের ফিকশন দেয়া হয়েছে। আরও নতুন কনটেন্ট দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। করোনার কারণে সিনেমার শুটিং বন্ধ রয়েছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সিনেমা নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।

বাংলাদেশে ওটিটি প্লাটফর্মের ভবিষ্যৎ ‘অনেক ভালো’ উল্লেখ করে নুসরাত জারিন আরো বলেন, ১৮ কোটি মানুষের কাছে ওটিটি প্লাটফর্ম পৌঁছাতে আরও কয়েক বছর সময় লাগবে। ঘরে ঘরে টিভি, স্মার্টফোন যেতে ৪-৫ বছর লেগেছে। ইন্টারনেটের প্রসারে এটা অনেক বড় বিকল্প। তাই আমি মনে করি, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে আগামি কয়েক বছরের মধ্যে ঘরে ঘরে ওটিটি প্লাটফর্ম থাকবে। আড্ডাটাইমস এর টার্গেট অডিয়ান্স বাংলাদেশের সবাই। সবার কাছে পৌঁছুতে আমরা চেষ্টা করছি।