চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বর্ষায় দেখে আসুন খাগড়াছড়ির ঝর্ণা-পাহাড়-রহস্যময় সুড়ঙ্গ

ছুটিতে ও অপেক্ষাকৃত কম ব্যস্ত সময়ে দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে যাচ্ছেন পাহাড়-ঝর্ণা আর মায়াবী সুন্দরের জেলা খাগড়াছড়িতে। শীতের শেষে ও বৃষ্টির মৌসুম শুরুর সঙ্গে সঙ্গে জেগে উঠতে শুরু করেছে খাগড়াছড়ির পাহাড় ও ঝর্ণাগুলো।

খাগড়াছড়িতে প্রবেশের সময় থেকেই শুরু হয় ভ্রমণের আনন্দ। পাহাড় ঘেরা উঁচুনিচু পথ ধরে সামনে এগিয়ে যাওয়াটাই পর্যটকদের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা। 

খাগড়াছড়ি শহরে ও আশেপাশে রয়েছে দর্শনীয় অনেক স্পট। আলুটিলা রহস্যময় সুড়ঙ্গ, দেবতা পুকুর, পানছড়ির অরণ্যকুটির, জেলা পরিষদ পার্কসহ নানা পর্যটন স্পটগুলোতে এখন ভিড় করেন পর্যটকরা।

খাগড়াছড়ির রাস্তা
খাগড়াছড়ির রাস্তা

তবে ভরা বর্ষায় খাগড়াছড়ির ঝর্ণাগুলো যেনো যৌবন ফিরে পায়। কিছুটা দূর্গম আর মায়াবী প্রাকৃতিক দৃশ্য ঘেরা এসব ঝর্ণাতে পর্যটকের ঢল নামে। 

হাজাছড়া ঝর্ণাতে যাবার পথে
হাজাছড়া ঝর্ণাতে যাবার পথে

দেশের যেকোনো জেলা থেকে খাগড়াছড়িগামী বাসে শহরে নেমে খাগড়াছড়ি শহর থেকে চাঁদের গাড়িতে করে সহজেই চলে যাওয়া যাচ্ছে হাজাছড়া, তৈদুছড়া আর রিসাং ঝর্ণাতে। শহরের খুব কাছে বলে প্রায় একইদিনে তিনটি ঝর্ণা দেখে আসা সম্ভব, তবে একটু সময় নিয়ে ঘুরে আসলে ভাল। চাঁদের গাড়ির ড্রাইভাররা ভাল গাইডের ভূমিকা পালন করে থাকেন। গাড়ি ভাড়ার বিষয় দরদাম করতে ভুলবেন না।

বিজ্ঞাপন

ঝর্ণাগুলোতে যেতে পাহাড়ী নালা আর পাথুরে কাদাময় পথ হেটে যেতে হবে। তবে কিছু ঝর্ণাতে যাওয়ার পথে পর্যটকদের সুবিধার্থে ইট বিছানো রাস্তা তৈরি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। 

রিছাং ঝর্ণা
রিছাং ঝর্ণা

গোসল করার উপযোগী কাপড়, ক্যামেরা-মোবাইলের জন্য পলিথিন ব্যাগ ও হালকা ওজনের ব্যাগ নিয়ে ওইসব স্পটে যাওয়া উচিত। 

আলুটিলা রহস্যময় সুড়ঙ্গে দিনের প্রথমভাগে ঘুরে আসাটা বেশ উপভোগ্য হবে। সুড়ঙ্গের ভেতরে হালকা পানির প্রবাহ আর কিছুটা পিচ্ছিল পথ থাকায় সাবধানের ধীরে ধীরে পার হতে হবে সুড়ঙ্গটি। মশাল অথবা উচ্চ ক্ষমতার টর্চ-লাইট হাতে প্রবেশ করতে হয় ওই রহস্যময় সুড়ঙ্গে।

আলুটিলা রহস্যময় সুড়ঙ্গ
আলুটিলা রহস্যময় সুড়ঙ্গ

উঠা-নামার স্থানে সিড়ি থাকায় খুব সহজেই সেখানে ঘুরে-বেড়াতে পারবেন পর্যটকরা। 

স্থানীয় গাইড ও চাঁদের গাড়ির ড্রাইভারের সাহায্যে সহজেই ওইসব স্পটে নিরাপদে ঘুরে আসতে পারবেন আগ্রহী পর্যটকরা। 

ছবি- লেখক 

বিজ্ঞাপন