চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে আশার খবর নেই

Nagod
Bkash July

করোনাভাইরাসের কারণে আড়াই মাস বন্ধ দেশের ক্রিকেট কার্যক্রম। এক রাউন্ড হয়েই স্থগিত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। আবার কবে শুরু হবে অপেক্ষায় দিন গুনছেন খেলোয়াড়রা। লিগের আয়োজক ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম) তাকিয়ে সরকারি নির্দেশনার জন্য। খেলা চালুর সবুজ সংকেত পেলে ১২টি ক্লাবের সঙ্গে সভায় বসবে তারা। তার আগে লিগ নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন দেখছে না কর্তৃপক্ষ।

Reneta June

সিসিডিএম প্রতিনিধি আলি হোসেন জানালেন, ‘খেলা চালু নিয়ে সরকারি নির্দেশনা পেলেই আমরা ক্লাবের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসব। তার আগে আলোচনা করে তো লাভ নেই। খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তাই আমাদের কাছে মুখ্য। আইসিসির গাইডলাইন থাকবে। ক্লাবের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

সরকারি পর্যায় থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খেলা শুরুর অনুমতি মিললেই ঢাকা লিগ মাঠে গড়াবে, ব্যাপারটা এত সরলও নয়। দুর্যোগের সময়ে সব ক্লাব খেলোয়াড়দের চুক্তির টাকা পরিশোধ করতে পারবে কিনা সেটিও বিবেচ্য। তাছাড়া অনুশীলন ও ম্যাচের দিনের খরচ তো রয়েছেই। সব মেটানোর মতো আর্থিক সঙ্গতি সব ক্লাবের আছে কিনা সেটি উঠে আসবে আলোচনায়। খোদ সিসিডিএম সমন্বয়ক আলী হোসেন জানালেন, আর্থিক টানাপোড়েন চলছে কয়েকটি ক্লাবের।

সেক্ষেত্রে বিসিবি প্রণোদনা না দিলে হয়ত কয়েকটি ক্লাবের পক্ষে সম্ভব হবে না লিগের সমুদয় খরচ বহন করা। এ অবস্থায় লিগের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা থেকেই যায়। তাছাড়া দুই মাসেরও বেশি সময় খেলা বন্ধ থাকায় জাতীয় লিগ, বিসিএল, বিপিএলের সূচিও সামনে আসতে শুরু করবে। সূচি বিপর্যয় থেকে ঘরোয়া মৌসুমকে বাঁচাতে প্রিমিয়ার লিগকে পড়ত হবে চ্যালেঞ্জের মুখে।

করোনার বিস্তার রোধে গত ১৬ মার্চ এক প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের সবধরনের খেলাধুলা স্থগিত করার ঘোষণা দেয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি দেশের পরিস্থিতি। বরং দিনদিন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। তারপরও সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল অবশ্য বলেছেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে এলে মাঠে গড়াতে পারে খেলা। সে সিদ্ধান্তটা নিতে হবে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে সর্বসম্মতিতে।

BSH
Bellow Post-Green View