চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পোশাক রপ্তানিতে উৎসে কর দশমিক ৫০ শতাংশে বহাল রাখার প্রস্তাব

রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পর জন্য রপ্তানির বিপরীতে প্রযোজ্য উৎসে কর দশমিক ৫০ শতাংশ আগামী ৫ বছর পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব করেছে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। একইসাথে সংগঠনটি কর্পোরেট কর হার সাধারণ কারাখানার জন্য ১২ শতাংশ এবং গ্রিন কারখানার জন্য ১০ শতাংশে আগামী ৫ বছরের জন্য বহাল রাখার প্রস্তাব করেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব ভবন সভাকক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় বিজিএমইএ সভাপতি মো. ফারুক হাসান এ প্রস্তাব দেন।

Reneta June

এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মু. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দসহ এনবিআর সদস্য (শুল্ক নীতি) মু. মাসুদ সাদিক, সদস্য (ভ্যাট নীতি) জাকিয়া সুলতানা এবং সদস্য (আয়কর নীতি) সামসুদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আলোচনায় বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর চ্যালেঞ্জ আমরা অনেক দেশের তুলনায় অনেক বেশি ভাল মতো মোকাবিলা করে এখন তার ফল পাচ্ছি। এখন আমাদের রপ্তানি কোভিডের আগের অবস্থার তুলনায় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।’

এখন মাসে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই উর্ধমূখী ধারা আরও বাড়ানোর সুযোগ আছে। এই সুযোগ নেওয়ার জন্য পণ্য মূল্য কমানোসহ ক্রেতাদের পণ্য ধরণের অনুরোধসহ আরও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তাই উদ্যোক্তারা চাপে রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে উৎসে কর বিদ্যমান দশমিক ৫০ শতাংশ, কর্পোরেট কর সাধারণ কারখানার জন্য ১২ শতাংশ এবং গ্রিন কারখানার ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ আরও ৫ বছর পর্যন্ত বহাল রাখার অনুরোধ করছি।’

এই খাতের উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে নগদ সহায়তার উপর যে ১০ শতাংশ হারে আয়কর নেওয়া হয় তা রহিত করার প্রস্তাব করেন বিজিএমইএ সভাপতি।