চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি ব্যর্থ হলে সেনাবাহিনী: ইসি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি ব্যর্থ হলে তখন সশস্ত্র বাহিনী কাজ করবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন: এই নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নয়, সিআরপিসির ১২৭ থেকে ১৩২ ধারা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।

বিজ্ঞাপন

আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে স্থাপিত কন্ট্রোল রুমে এক ব্রিফিংয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব কথা বলেন তিনি।

নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন: এখন পর্যন্ত যতটুকু আমাদের প্রয়োজন, ততটুকু প্রস্তুতি আমাদের আছে। নির্বাচনী সামগ্রী কিছু কিছু জায়গায় চলে গেছে, কিছু কিছু যাচ্ছে। সশস্ত্র বাহিনী থেকে দুটো হেলিকপ্টার নিয়ে রেখেছি। নির্বাচনের দিন, নির্বাচনের আগের দিন এবং যেকোনো প্রয়োজনে লজিস্টিক সাপোর্টের জন্য। আইনশৃঙ্খলার সব বাহিনী মোতায়েন হয়ে গেছে। আমরা আমাদের কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছি। কন্ট্রোল রুমে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সব বাহিনীর সদস্যরা কাজ করা শুরু করে দিয়েছে এবং সশস্ত্র বাহিনী থেকে নেওয়া এসএফ রেডিওর মাধ্যমে ৩০০ আসনের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন: ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ছয়টি আসনে সব মালামাল পৌঁছে গেছে। এর জন্য যাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দরকার তা দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিটি কেন্দ্রে মক ভোটিং চলছে। আমরা ভালো সাড়া পাচ্ছি। এসব জায়গায় ভোটাররা যাতে সহজভাবে ভোট দিতে পারেন তার জন্য প্রশিক্ষণ আরো দুই দিন চলবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে প্রচার-প্রচারণা বন্ধ থাকবে। আমি বলব, সার্বিক দিক থেকে প্রস্তুতি আমাদের অনেক ভালো আছে।

আদালতের নির্দেশে অনেকেই প্রার্থিতা ফেরত পাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত আপনারা কতগুলো আসনের ব্যালট পেপার ছাপাতে পেরেছেন। আর শেষ বেলায় ব্যালটগুলো কীভাবে পৌঁছাবেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আদালতের আদেশ তো আমাদেরকে মেনে চলতেই হবে। যদি শেষ মুহূর্তেও সে ধরনের কোনো আদেশ আসে, সেটার জন্য আমাদের যে প্রস্তুতি সেটা হলো- আগেই যেটা বলেছি যে, লজিস্টিক সাপোর্টের জন্য সশস্ত্র বাহিনী থেকে হেলিকপ্টার স্ট্যান্ডবাই রাখা আছে, যেন ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য সামগ্রী পৌঁছে দিতে পারি।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন: একদিনে ৩০০ আসনে নির্বাচন করা বড় চ্যালেঞ্জ। নির্বাচনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি আছে বলে আমি মনে করি না। রাজনৈতিক চাপ ও উত্তেজনা বিরাজ করতে পারে।

এই নির্বাচন কমিশনার বলেন: নির্বাচনের জন্য ইসিতে স্থাপিত কন্ট্রোল রুম থেকে ৩০০টি আসনের সরাসরি তদারকি করা হবে। কোনো ধরনের ঘটনা কোনো কেন্দ্রে ঘটলে এখন থেকে সেই বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এসময় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।