চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নোয়াখালীর সেই ছাত্রলীগ নেতার পাশে এমপি একরাম

নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালানো সাবেক ছাত্রলীগ নেতার পাশে দাড়িয়েছেন স্থানীয় এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরি।

গত কয়েকদিন আগে স্থানীয় অনলাইন পোর্টাল ‘নোয়াখালীটোয়েন্টিফোর.নেট’সহ একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর অর্থাভাবে রিকশা চালানো কবিরহাট সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ফারুককের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এরপরই তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ডেকে নগদ অর্থ দেন একরামুল করিম চৌধুরি। তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে ফারুকের চাকরীর জন্য আবেদন করেন। তার নির্দেশনায় গাজীপুর সিটি করপোরেশন ওই ছাত্রলীগ নেতার চাকরি হয় বলে জানান এমপি একরাম।

তিনি বলেন: খবরটি দেখার পর আমার খুব খারাপ লেগেছে। ফারুকরা দুঃসময়ে দলের জন্য কাজ করেছেন, মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন। কিন্তু আজ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও ফারুকের মতো কর্মীরা অবহেলিত, এটি দুঃখজনক। আমি যতটুকু পারি তার জন্য করবো। আর আমার নেতার নির্দেশনায় আর্থিক সহায়তা করেছি। তার চাকরির আবেদন করেছি। তার চাকরি হয়েছে এজন্য আমার নেতা ওবায়দুল কাদেরের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

বিজ্ঞাপন

এমপি একরাম ছাড়াও তার ছেলে এজে গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাবাব চৌধুরিও ব্যাক্তিগতভাবে সহযোগিতা করেছেন ছাত্রলীগ নেতা ফারুককে।

জানা গেছে, বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে দলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে লড়াই করেছেন আনোয়ার হোসেন ফারুক। সহ্য করতে হয়েছে জেল-জুলম-নির্যাতন। লেখাপড়াটাও শেষ করতে পারেননি।

তিনি কবিরহাট উপজেলার পদুয়া গ্রামের মোহাম্মদ উল্যার ছেলে। মোহাম্মদ উল্যার চার ছেলে, দুই মেয়ের মধ্যে ফারুক দ্বিতীয়। মা, স্ত্রী, চার কন্যাসন্তান নিয়ে বড় একটি সংসারের দায়িত্ব এখন ফারুকের কাঁধে। ফারুকের ছোট ভাই পারভেজ মোশারফ জেলা ছাত্রলীগের সদস্য।

২০০১ সালে বিএনপি জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম যখন নিভু নিভু অবস্থায়, তখন দাপটের সঙ্গে কবিরহাট সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়ে সংগঠন গুছিয়ে তোলেন তিনি। সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকায় জেল-জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ফারুক।