চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নির্যাতিতা গৃহবধূর ভিডিও অপসারণে হাইকোর্টে আবেদন

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে অপসারণের আদেশ চেয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।

সোমবার বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীম সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চে ভিডিও অপসারণের বিষয়টি উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন।

বিজ্ঞাপন

এরপর আদালত সেই আইনজীবীকে বিষয়টি নিয়ে লিখিত আবেদন করতে বলেন। এবং শুনানির জন্য বেলা আড়াইটায় সময় নির্ধারণ করেন।

মাসখানেক আগে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুরের ওই গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে বিভৎস নির্যাতন করে ধর্ষণ চেষ্টা করে একদল বখাটে। এরপর গতকাল রোববার সেই ঘটনার ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় তারা।

রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ৯ জনকে আসামি করে দুটি মামলা দায়ের করেছেন নির্যাতিতা নারী। যার একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে। আরেকটি পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে।

বিজ্ঞাপন

দুটি মামলাতেই প্রধান আসামি বাদল (২২)। এছাড়াও মামলা দুটির অন্য আসামিরা হলো, রহিম (২০), আবুল কালাম (২২), ইস্রাফিল হোসেন মিয়া (২২), সাজু (২১), সামছুউদ্দিন সুমন (৩৯), আব্দুর রব চৌধুরী মিয়া লম্বা চৌধুরী (৪৮), আরিফ (১৮) ও রহমত উল্যা (৪১)।

তাদের মধ্যে বাদল, রহমত উল্যা ও রহিমকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়াও এই ঘটনার পেছনে ইন্ধনদাতা হিসেবে দেলোয়ার নামে আরেকজনকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আটক করে র‌্যাব।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, প্রায় মাসখানেক আগে দুই সন্তানের জননী ওই গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারধর করে ভিডিওচিত্র ধারণ করে বখাটেরা।

রোববার দুপুরের দিকে সেই নির্যাতনের সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশের পর ভাইরাল হয়ে। তাতে টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের।

গত ৩২ দিন অভিযুক্ত স্থানীয় বখাটেরা গৃহবধূর পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখলেও ঘটনা থেকে যায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ প্রশাসনের অগোচরে!

স্থানীয়রা বলছে, গত মাসের ২ সেপ্টেম্বর উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার নূর ইসলাম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।